‘গলার কাটা যখন গলার মালা’

9
Print Friendly, PDF & Email

মাগুরা থেকে করসপন্ডেন্টঃ
গরীব ক্রেতাদের কাছে কয়েনের বিনিময়ে সবজি বিক্রি করা মাগুরার মহম্মদপুরের সেই ক্ষুদ্র সবজি ব্যবসায়ী খবির এখন লাখপতি। কোথাও না চালাতে পারা সেই থাকা গলার কাঁটা ছয় মন কয়েনই হলো তার গলার মালা। তার কাছে জমা ছয় মন কয়েন নিয়ে তার বিপাকে পরার সংবাদ প্রচারের পর ঢাকার ব্যবসায়ী মিকা ফার্মা কেয়ার লি:এর কর্ণধার নিয়ামুল কবির টিপু খবিরের সেই ছয় মন ওজনের ৬০ হাজার টাকার ধাতব মুদ্রা (কয়েন) এর বিনিময়ে একলক্ষ টাকা দিয়েছেন।

বুধবার দুপুরে খবিরের মহম্মপুরের বাড়িতে গিয়ে এ টাকা দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহম্মদপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রামানন্দ পাল, স্থানীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি বিপ্লব রেজা বিকো, সাধারণ সম্পাদক মাহামুদুন নবী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

খবির জানান,গত ১০ বছরে ক্রেতার কাছ থেকে নেওয়া ১-২ টাকার কয়েন জমে এখন প্রায় ৬০ হাজার টাকা। ক্রেতার কাছ থেকে মুদ্রাগুলো নিলেও তার কাছ থেকে এখন আর কেউ নিচ্ছিল না। ফলে বিভিন্ন অঙ্কের এই ৬ মণ ওজনের মুদ্রা নিয়ে বিপাকে পড়েছিলাম। সবজির দাম হিসেবে এসব মুদ্রা নিলেও বুঝতে পারেননি এক রকম অচল হয়ে এসব জমে যাবে। আমি যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি ঠিক সেই ভাবে নিয়ামুল কবির টিপু আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন। এতে আমি খুবই খুশি।

খবিরের স্ত্রী জানান, ব্যবসার পুঁজির তিনের দুই ভাগই এই কয়েনের মধ্যে আটকে ছিল। দুই ছেলে-মেয়ে স্বামীসহ চার সদস্যের পরিবার নিয়ে যে কষ্টে ছিলাম তার কিছুটা হলেও লাঘব হবে এই টাকার বিনিময়ে।

মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রামানন্দ পাল বলেন, এভাবে নিয়ামুল করিমের মতো প্রতিটি মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়ালে এদেশ সামনে এগিয়ে যাবে