কোভিড-১৯: আরও ৭ হাজার মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৫ লাখ!

6
Print Friendly, PDF & Email

ইন্টারন্যাশনাল নিউজ ডেস্কঃ
বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপ দেখা দেয়ার দশ মাস পূর্ণ হচ্ছে আগামীকাল। কিন্তু এখন পর্যন্ত কার্যকরি ভ্যাকসিন আবিষ্কৃত না হওয়ায় আরও ভয়ানক রূপ নিচ্ছে ভাইরাসটি। গত একদিনে যার শিকার বিশ্বের ৫ লাখের বেশি মানুষ। থামছে না প্রাণহানিও। নতুন করে সাত হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এতে করে মৃতের সংখ্যা বেড়ে পৌনে ১২ লাখ ছাড়িয়ে গেছে।

বিশ্বখ্যাত জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৫ লাখ ৪ হাজার ৪১৯ জনের দেহে। এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৪৭ লাখ ৪২ হাজার ৫৯৯ জনে। নতুন করে ৭ হাজার ৯৯ জন মারা যাওয়ায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১ লাখ ৭৮ হাজার ৫৩৯ জনে ঠেকেছে।

আক্রান্তদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থতা লাভ করেছেন ৩ কোটি ২৭ লাখ ১৯ হাজারের বেশি ভুক্তভোগী। এর মধ্যে গত একদিনেই বেঁচে ফিরেছেন ২ লাখ ৭৬ হাজার ৪০৬ জন রোগী।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীন থেকে সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী এ পর্যন্ত ১৮৯টি দেশে ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

এর মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবকটি অঙ্গরাজ্যেই দীর্ঘ হয়ে চলেছে করোনা রোগীর সংখ্যা। দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৯১ লাখ ২০ হাজার ৭৫১ জন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৩৩ হাজার ১৩০ জনের।

সংক্রমণের হারে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৮০ লাখ ৩৮ হাজার ৭৬৫ জন এবং মৃত্যু হয়েছে এক লাখ ১২০ হাজার ৫৬৩ জনের।

প্রাণহানিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ও সংক্রমণে তিনে থাকা ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত করোনার শিকার ৫৪ লাখ ৬৯ হাজার ৭৫৫ জন মানুষ। মৃত্যু হয়েছে এক লাখ ৫৮ হাজার ৪৬৮ জনের।

চারে থাকা রাশিয়ায় এখন পর্যন্ত করোনার ভুক্তভোগী প্রায় ১৫ লাখ ৬৪ হাজার মানুষ। এর মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ২৬ হাজার ৯৩৫ জন।

ফ্রান্সে এখন পর্যন্ত করোনা হানা দিয়েছে ১২ লাখ ৩৫ হাজারের বেশি মানুষের দেহে। এর মধ্যে প্রাণ ঝরেছে ৩৫ হাজার ৭৮৫ জনের।

ছয়ে থাকা থাকা স্পেনে ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১১ লাখ ৯৫ হাজার ছুঁতে চলেছে। প্রাণহানি ঘটেছে ৩৫ হাজার ৪৬৬ জনের।

এদিকে, বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী গতকাল বুধবার পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৪ লাখ ৩ হাজার ৭৯ জন। এর মধ্যে ৩ লাখ ১৯ হাজার ৭৩৩ জন সুস্থতা লাভ করলেও প্রাণহানি ঘটেছে ৫ হাজার ৮৬১ জনের