গণধর্ষণের মামলা: গোয়েন্দা শাখার এএসআই গ্রেফতার

14
Print Friendly, PDF & Email

রংপুর থেকে করসপন্ডেন্টঃ
স্কুলছাত্রী গণধর্ষণ মামলায় অবশেষে রংপুর নগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার এএসআই রায়হানুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে পুলিশ লাইন থেকে তাকে গ্রেফতার করে পিবিআই কার্যালয়ে নেয়া হয়।

হারাগাছ থানায় মামলা দায়েরের তিন দিন পর বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে প্রধান অভিযুক্ত রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার এএসআই রায়হানুলকে গ্রেফতার করতে রংপুর মহানগর পুলিশ লাইনে যায় পিবিআই-এর একদল সদস্য। ৯টার কিছু পরে তাকে গ্রেফতার করে পিবিআই কার্যালয়ে নেয়া হয়। এসময় গণমাধ্যমকর্মী ছাড়াও সাধারণ মানুষের ভিড় ছিলো।

নানা নাটকীয়তার পর অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যকে গ্রেফতার করায় সন্তোষ জানান সাধারণ মানুষ।

তারা বলেন, পুলিশ হয়ে পুলিশকে ধরেছে। ফলে আমাদের আস্থা আসছে পুলিশের ওপর। আমরা আশা করছি সে উপযুক্ত শাস্তি পাবে।

এর আগে বুধবার সকাল থেকে আদালত চত্বরে গণমাধ্যমকর্মীরা অপেক্ষা করলেও বেলা ৩টার দিকে কড়া নিরাপত্তায় নির্যাতিতা স্কুলছাত্রীকে আদালতে আনা হয়। চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাহাঙ্গীর হোসেনের খাস কামরায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

এ প্রসঙ্গে রংপুরের পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন বলেন, ভিকটিম জানিয়েছে তাদের প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। তবে সে রায়হান নাম বলেনি, সে নাম বলেছে রাজু। সে সম্পর্কের কারণেই তাদের শারীরিক সম্পর্ক হয়।

একই দিন লালমনিরহাট থেকে গ্রেফতার বাবুল হোসেন ও আবুল কালাম আজাদ ১৬৪ ধরায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

গত রোববার গোয়েন্দা পুলিশের এএসআই রায়হানের নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যাক্তি নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন নির্যাতিতার বাবা।