ইন্টারনেট-ক্যাবল টিভি বন্ধের সিদ্ধান্ত আপাতত স্থগিত

১৭ই অক্টোবর, ২০২০ || ০৭:৩৬:৩২
13
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন রিপোর্ট:
টেলিযোগাযোগমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর ইন্টারনেট বন্ধের সিদ্ধান্ত স্থগিতের কথা জানিয়েছেন আইএসপিএবি সভাপতি আবদুল হাকিম।

টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর আশ্বাসে রবিবার থেকে দিনে ৩ ঘণ্টা ইন্টারনেট বন্ধ রাখার ঘোষণা থেকে সরে এসেছেন সেবাদাতারা।

শনিবার বিকালে মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি আবদুল হাকিম সন্ধ্যায় এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে বৈঠক হবে।

“আগামী কালকের মিটিংয়ে কোনো সমাধান না আসলে আগামী শনিবার থেকে আবার ধর্মঘটে যাব।”

বিকল্প ব্যবস্থা না করে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশন থেকে ঝুলন্ত তার অপসারণের কাজ বন্ধ না করলে রোববার থেকে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত সারা দেশে ইন্টারনেট ও কেবল টিভি সেবা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিল ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এবং কেবল অপারেটর্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)।

তাদের এই ঘোষণায় উদ্বেগ জানিয়েছিলেন ব্যাংক খাতের কর্মকর্তারা। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে ব্যাংক ও মোবাইলে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন সম্ভব হবে না বলে সতর্ক করেছিলেন তারা।

এদিকে, করোনা ভাইরাস মহামারীর কারণে অনলাইনের ক্লাস নেওয়া বিভিন্ন স্কুল কর্তৃপক্ষ স্কুলের সময় পাল্টে সকালের বদলে রাতে ক্লাস নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে শনিবার বিকালে বিষয়টির সুরাহায় উদ্যোগী হন টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জাব্বার এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমদ পলক।

উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনার পর ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এসে আইএসপিএবি সভাপতি আবদুল হাকিম বলেন, “মাননীয় মন্ত্রী (মোস্তাফা জব্বার) আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন যে, তিনি আমাদের সঙ্কট নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচন করবেন।

“এখন সে বৈঠকের জন্য দুই, তিন বা চার দিন যতই সময় লাগুক আমরা অপেক্ষা করব। আশা করছি, এ সপ্তাহের মধ্যেই আমরা ফলপ্রসূ সমাধান পাব।”

তার কথার পর মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, “আমি বলেছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা যত দ্রুত পারি সিদ্ধান্ত নেব। এখন তিনি কবে আমাদের সঙ্গে মিটিংয়ে বসেন, সেটা কিন্তু আমি এখনই বলতে পারব না।”