দেশে করোনা গবেষণায় এখনও মেলেনি সুফল, কিন্তু কেন?

12
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট:
দেশে করোনা নিয়ে কম হয়নি গবেষণা, তবে পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে তার সুফল ঘরে তুলতে পারেনি বাংলাদেশ। গবেষকরা বলছেন, সমন্বিত একটি উদ্যোগের আওতায় এসব গবেষণা করা গেলে করোনা মোকাবিলা আরো সহজ হতো। করোনা মোকাবিলায় জাতীয় কমিটি বলছে, বিচ্ছিন্নভাবে হলেও এসব আমলে নিয়ে ব্যবস্থাপনা ঠিক করছে সরকার।

প্রথম শনাক্তের দশমাস কেটে গেছে অথচ এখনো করোনা সুরক্ষার কোন ঢাল আবিষ্কার করতে পারেনি বিশ্ব। তবে প্রতিনিয়তই হচ্ছে গবেষণা, আসছে নতুন নতুন খবর। কিছু খবর খবরেই মিলিয়ে যাচ্ছে, আবার বেশ কিছু দেখাচ্ছে আশার আলো।

বাংলাদেশের কি অবস্থা?

শুরুতেই জিনোম সিকোয়েন্স নিয়ে কাজ করে সাফল্যের দাবিদার সরকারি বেসরকারি বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।

গবেষক ড. আইয়ুব বলেন, ভাইরাসের যে বিভিন্ন রকমের জিনোম সিকোয়েন্স সারা পৃথিবীতে এর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কি আছে সেসব আমি দেখেছি।

প্লাজমা থেরাপি নিয়েও কাজ করেও সাফল্য এসেছে এমন দাবি উঠেছে বাংলাদেশ থেকে। আবার র‌্যাপিড টেষ্ট নিয়ে কথা হলেও তা আর আলোর মুখ দেখেনি। অন্যদিকে আইভার ম্যাকটিন আর ডক্সিসাইক্লিনের ডোজে সাফল্যের দাবি করেন একদল চিকিৎসক।

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক তারেক আলম বলেন, ডক্সিসাইক্লিনের ডোজ দেয়ার পর ৪-৫ দিনের মধ্যেই সুস্থ হয়েছিল।

অন্যদিকে এই মুহূর্তে বড় চমক দেশীয় কোম্পানি গ্লোব বায়োটেকের করোনা ভ্যাকসিন আবিষ্কারের দাবি। এরই মধ্যে মানব দেহে প্রয়োগের অনুমতির অপেক্ষায় প্রতিষ্ঠানটি।

গ্লোব বায়োটেক প্রধান নির্বাহী ড. কাকন নাগ বলেন, এখন আমরা ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে যাব। যেখানে হিউম্যানের ওপরে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হবে।

তবে বিচ্ছিন্নভাবে এসব গবেষণার সঠিক ফল মিলছে না বলে দাবি গবেষকদের।

বিএসএমএমইউ ফার্মাকোলজি বিভাগীয় প্রধান বলেন, বাংলাদেশকে এই গবেষণা করার জন্য একটি দল গঠন করতে হবে। রিসার্চ টিম বাংলাদেশ কখনও করতে পারেনি।

যদিও এসব গবেষণা আমলে নেয়া হচ্ছে বলে জানান করোনা নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত সংশ্লিষ্টরা।

অধ্যাপক ডা. শহীদুল্লাহ বলেন, যেটা অনুমতি দেয়ার মত সেটা অনুমতি দেয়া হয়, যেটা না সেটা দেয়া হয় না।

দেশে প্রথম করোনা শনাক্ত হয় আটই মার্চ।