কুয়েতের আমির শেখ সাবাহ আর নেই

9
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন রিপোর্ট:
কুয়েতের আমির সাবাহ আল-আহমাদ আল-জাবের আল সাবাহ মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯১ বছর।

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। খবর আল জাজিরার। এদিন টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে দেশটির রাজকীয় বিষয়কমন্ত্রী শেখ আলী জারাহ আল-সাবাহ বলেন, কুয়েতের আমির শেখ সাবাহ আল আহমাদ আল জাবের আল সাবাহ’র মৃত্যুতে আমরা অত্যন্ত দু:খিত এবং শোকাহত।

২০০৬ সাল থেকে আরব উপসাগরের তেলসমৃদ্ধ দেশ কুয়েতের আমিরের দায়িত্বে ছিলেন শেখ সাবাহ। এর আগে ২০১৯ সালেও একবার হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। অসুস্থতার কারণে তখন যুক্তরাষ্ট্র সফর সংক্ষিপ্ত করেন আল-সাবাহ, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেখা করার সূচি পর্যন্ত বাদ দেন তিনি।

অনেক দিন ধরে নানা ধরনের শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন আমির শেখ সাবাহ। ২০০২ সালে তার অ্যাপেন্ডিক্স অপসারণ করা হয়। এর দুই বছর পর তার হার্টে একটি পেস মেকার প্রতিস্থাপন করা হয়। ২০০৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে মূত্রনালিতে অস্ত্রোপচার করা হয়।

আরব উপসাগরে দুই চির শত্রু যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে টানা পোড়েন চরমে পৌঁছালে উভয় পক্ষকে শান্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন কুয়েতের আমির। বর্তমান আধুনিক কুয়েতের স্থপতি হিসেবে ভাবা হয় শেখ সাবাহকে।

অতীতে আমিরের অনুপস্থিতিতে তার সৎভাই ৮৪ বছর বয়সী ক্রাউন প্রিন্স প্রিন্স নায়েফ আল আহমাদ আল সাবাহ দেশটির ভারপ্রাপ্ত শাসকের দায়িত্ব পালন করেছেন। রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী শেখ নায়েফ দেশটির জ্যেষ্ঠ রাষ্ট্রনায়ক। কয়েক দশক ধরে তিনি দেশটির গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব পালন করছেন। এরমধ্যে, প্রতিরক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ অনেক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় অন্তর্ভুক্ত।

আঞ্চলিক সংকট সমাধানে কূটনীতির উপর গুরুত্বারোপ করেছেন শেখ সাবাহ। তার মধ্যে চার আরব দেশের কাতার বয়কট এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরাক, সিরিয়ার জন্য তহবিল সংগ্রহ অন্যতম।