পাটশাকের পুষ্টিগুণ

9
Print Friendly, PDF & Email

হেলথ ডেস্কঃ

হরেক রকম শাকের সাথে আমরা পরিচিত। প্রতিদিনের খাদ্যাভাসে জরুরি প্রতিটিই। বলা হয়ে থাকে, প্রকৃতি নিজের ভেতরেই তার সমস্ত সমস্যারও প্রতিষেধক বহন করে। তাই স্বাস্থ্যচিন্তা তো বটেই, নিজের স্বাদ বদলানোর জন্যও খাবারের সাথে রাখতে পারেন বিভিন্ন পদের শাক। আজ বলছি পাটশাকের কথা। আমাদের বাঙালিয়ানার সাথে যা যথেষ্ট পরিচিত। কিন্তু তার গুণ সম্পর্কে কতটা জানি? সেকথাই বলছি আজ-

পাটশাক ক্রুশিয়াস প্রজাতির শাক হওয়ায় এটি ব্রকলি, বাঁধা কপি, ফুল কপি, অ্যাস্পারাগাসসহ এই জাতীয় অন্যান্য সবজির মতো শরীরে ডিটক্সিফাইয়ের কাজ করে। এ প্রজাতির শাকসবজি ক্যান্সার প্রতিরোধেও দারুণ ভূমিকা রাখে।

আফ্রিকান কিছু দেশে পাটশাক স্যুপ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া এটি সিদ্ধ, রান্না কিংবা ভাজি সবরকমভাবেই খাওয়া যায়। নিয়মিত পাটশাক খেলে যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়-

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করেঃ পাটশাকে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকায় এটি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।

হজমশক্তি বাড়ায়ঃ পাটশাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকায় এটি হজম প্রক্রিয়াতে সহায়তা করে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ভূমিকা রাখে। এছাড়া এটি রুচি বাড়াতেও বেশ  কার্যকর।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করেঃ পাটশাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায় এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। নিয়মিত এ শাক খেলে বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণের আশঙ্কা কমে যায়।

ত্বকে তারুণ্য ধরে রাখেঃ পাটশাকে থাকা ভিটামিন সি ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি ত্বকের ক্ষতিকর ফ্রি র‌্যাডিকেলের বিরুদ্ধে লড়াই করে ত্বকে তারুণ্য ধরে রাখে।

দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়ঃ পাটশাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন এ থাকায় এটি দৃষ্টিশক্তি উন্নত রাখতে ভূমিকা রাখে।

মুড ভালো রাখেঃ বিশেষজ্ঞদের মতে, ম্যাগনেসিয়াম হতাশা দূর করতে বেশ কার্যকর। পাটশাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে ম্যাগনেসিয়ামের উপস্থিতি থাকায় এটি মুড ভালো রাখতে সহায়তা করে। এছাড়াও, এই খনিজ মানসিক চাপ এবং অনিদ্রায় ভোগা মানুষের জন্য উপকারী।