খাঁটি মশলা চেনার উপায়

18
Print Friendly, PDF & Email

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ

রান্নাতে মশলা বাদ দিয়ে চিন্তা করুন তো দেখি, আদৌ কি সম্ভব? অন্তত আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশের রসনা বিলাসের কথা ভাবলে একেবারেই অসম্ভব। মূলত মশলার আবির্ভাবই যেকোন খাবারকে খাবার করে তুলতে পারে। এত প্রয়োজনীয় একটা উপাদান যদি খাঁটি না পান সেটা তো দুশ্চিন্তারই বটে। আপনার জন্যই আজকের আয়োজন খাঁটি মশলা চেনার উপায়সমূহ নিয়ে।

মসলা শুধু রান্নার স্বাদই বাড়ায় না এর অনেক ওষুধি গুণও রয়েছে। মসলা সঠিকভাবে ব্যবহার করলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। তবে বর্তমান সময়ে অনেকেই মসলায় ভেজাল মিশিয়ে বিক্রি করেন। মসলা খাঁটি না ভেজাল মেশানো তা বোঝার বেশ কিছু উপায় রয়েছে। যেমন-

দারুচিনিঃ মাংস রান্নায় কিংবা নানা ধরনের খাবার তৈরিতে দারুচিনি বাড়তি স্বাদ যোগ করে। বাজার থেকে দারুচিনি কেনার আগে ভালো করে তার গন্ধ বুঝে নেবেন। অনেক সময় দারুচিনির বদলে কাসিয়া বা চিনা দারুচিনি বিক্রি করা হয়। চিনা দারুচিনি ওজনে হালকা হয়। তার ঘনত্বও কম থাকে। আর গন্ধও হালকা থাকে। আসল দারুচিনির গন্ধ খুবই কড়া হয়।

গোলমরিচঃ রান্নায় স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি সর্দি-কাশির ক্ষেত্রেও বেশ উপকারী গোলমরিচ। বাজারে অনেক সময় গোলমরিচের সঙ্গে পেঁপের বীজ মিশিয়ে দেওয়া হয়। এজন্য গোলমরিচ কেনার সময় একটু টিপে দেখে নেবেন। যদি মরিচ একটু তৈলাক্ত হয় তাহলে বুঝবেন সেটা আসল।

মরিচের গুঁড়াঃ বেশিরভাগ রান্নায় মরিচের গুঁড়া ব্যবহার করা হয়। তবে লাল রঙের আড়ালে এই মসলায় সবচেয়ে বেশি ভেজাল মেশানো হয়। বাজার থেকে মরিচের গুঁড়া কেনার পর একটু নিয়ে এক গ্লাস পানিতে মেশান। যদি তা পানির সঙ্গে মিশে যায় আর রং পালটে যায় তাহলে বুঝবেন এটা আসল মসলার গুঁড়া।

হলুদঃ রান্নার জন্য হলুদ খুবই প্রয়োজনীয় একটি উপাদান। মরিচের মতো এর গুঁড়াও পানিতে মিশিয়ে আসল ও নকলের পার্থক্য বুঝতে পারবেন।