দেশের মানুষ না চাইলে সিঙ্গাপুর চলে যাবো: ড. বিজন কুমার শীল

৩০ই Auguই, ২০২০ || ০৯:০৭:৩৭
16
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট:
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কোভিড-১৯ শনাক্তকরণ কিট উদ্ভাবক দলের প্রধান বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীলের জন্ম ও বেড়ে উঠা বাংলাদেশে হলেও তিনি সিঙ্গাপুরের নাগরিক। ২০০২ সালে সিঙ্গাপুরের সিভিল সার্ভিসে যোগদানের সময় নিয়ম অনুযায়ী তাকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ছাড়তে হয়। তবে বর্তমানে ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন এই বিজ্ঞানী।

কাজ করার জন্য ওয়ার্ক পারমিট ভিসা থাকলেও সেটির মেয়াদ গত ১ জুলাই শেষ হয়ে গেছে। ভিসার মেয়াদ বাড়াতে সরকারের কাছে আবেদনও করেছেন তিনি। তবে এখনো ভিসার মেয়াদ বাড়ায়নি সরকার।

এ বিষয়ে আজ রোববার গণমাধ্যমকে ড. বিজন কুমার শীল জানান, ট্যুরিস্ট ভিসার মেয়াদ আরো এক বছর রয়েছে। এর মধ্যে যদি ওয়ার্ক পারমিট ভিসার মেয়াদ না বাড়ানো হয়, তাহলে আবারও সিঙ্গাপুরে চলে যেতে হবে।

দেশের মানুষ যদি মনে করে, আমি তাদের কোনো উপকার করি নাই, তাতে কোনো সমস্যা নেই। তখন সিঙ্গাপুরে চলে যাবো। আর যদি দেশের মানুষ চায় এবং সরকার ওয়ার্ক পারমিট ভিসা দেয়, তাহলে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাবো, যোগ করেন ড. বিজন কুমার শীল।

তিনি আরো জানান, ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য গণবিশ্ববিদ্যালয় আবেদন করেছে এবং কাগজপত্র জমা দিয়েছে। এ বিষয়ে গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ভালো বলতে পারবেন।

প্রসঙ্গত, ১৯৬১ সালে নাটোরের এক কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ড. বিজন কুমার শীল। শিক্ষাজীবনে তিনি বনপাড়া সেন্ট জোসেফ স্কুল থেকে এসএসসি ও পাবনা অ্যাডওয়ার্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। এরপর ময়মনসিংহে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভেটেরিনারি সায়েন্সে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে স্নাতক পাস করেন এবং অণুজীব বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন।