যে কারনে, ভেঙে ফেলা হবে বিমানবন্দরের পরিত্যক্ত প্লেনগুলো!

২৭ই Auguই, ২০২০ || ০৪:৩৪:০৭
6
Print Friendly, PDF & Email

সিনিয়র করসপন্ডেন্ট, ঢাকাঃ
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কার্গো ভিলেজ অ্যাপ্রোনের বিশাল অংশ দখল করা রাখা প্লেনগুলো বিমানবন্দরের উত্তর প্রান্তে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। সম্প্রতি এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

কোনো ধরনের চার্জ পরিশোধ না করেই দীর্ঘদিন রানওয়ের পাশে পড়ে থাকা বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের ২২টি প্লেন বিমানবন্দরের গলার কাটায় পরিণত হয়েছিল। গত সপ্তাহে প্লেন সরিয়ে নেয়ার কাজ শুরু হয়।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) এক সূত্র জানায়, পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা ২২টি প্লেন সরিয়ে নেয়ার পর শুরু হবে এগুলো নিলামে বিক্রির প্রক্রিয়া। নিলামে বিক্রি না হলে কেজি দরে বিক্রি করা হতে পারে এগুলো। ক্রেতা না থাকলে ভেঙে ডাম্পিং করা হবে এসব প্লেনকে।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন আগেই অপারেশন বন্ধ ঘোষণা করা জিএমজি এয়ারলাইন্স, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, অ্যাভিয়েনা এয়ারলাইন্স, বিসমিল্লাহ এয়ারলাইন্স রিজেন্ট এয়ারওয়েজ ও বিমান বাংলাদেশের কয়েকটি প্লেন এখানে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে রয়েছে। এদের কাছে পার্কিং চার্জ বাবদ পাওনা প্রায় আকাশচুম্বী। তবে টাকা পরিশোধ না করায় প্লেনগুলো সরিয়ে বিমানবন্দরের অন্যপ্রান্তে নেয়া হচ্ছে।

বেবিচকের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বারবার নোটিশ করার পরও প্রতিষ্ঠানগুলো প্লেন সরিয়ে না নেয়ায় আমরা উত্তর পাশে জেনারেল অ্যাভিয়েশনের খোলা জায়গায় এগুলো সরিয়ে রাখছি। প্লেনগুলো নিলামের প্রক্রিয়া শুরু হবে শিগগিরই। নিলামে বিক্রি না হলে প্লেনগুলো ডিসপোজ করা হবে।’

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ অ্যাপ্রোনে বর্তমানে থাকা প্লেনগুলো জিএমজি এয়ারলাইন্স, অ্যাভিয়েনা এয়ারলাইন্স, বিসমিল্লাহ এয়ারলাইন্স, স্কাই ক্যাপিটাল এয়ারলাইন্স, রিজেন্ট এয়ারওয়েজ, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের।