নিজের জীবন বিসর্জন দিয়ে, বহু যাত্রীর প্রাণ বাঁচালেন ক্যাপ্টেন সাঠে

৮ই Auguই, ২০২০ || ১১:৩২:২৬
19
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট:
নিজের জীবন বিসর্জন দিয়ে বহু যাত্রীর প্রাণ বাঁচালেন ক্যাপ্টেন সাঠে। কেরালার বিমান দুর্ঘটনায় ক্রমশ বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে এয়ার ইন্ডিয়ার যাত্রীবাহী বিমানটির দুজন পাইলটেরই। দুজন পাইলটই নিজেদের জীবন বিসর্জন দিয়ে প্রাণ বাঁচালেন যাত্রীদের। নিজেদের বুদ্ধিদীপ্ত পদক্ষেপে বহু মানুষের প্রাণ বাঁচিয়ে গেলেন ভারতীয় বিমানবাহিনীর সাবেক পাইলট ক্যাপ্টেন দীপক বসন্ত সাঠে এবং ক্যাপ্টেন অখিলেশ কুমার। ক্যাপ্টেন দীপক বসন্ত সাঠে ভারতীয় বিমানবাহিনীতে নিযুক্ত ছিলেন, ২২ বছরের লম্বা কেরিয়ার। ঝুলিতে রয়েছে অসংখ্য সম্মান। নিজের জীবন দিয়ে বাঁচিয়ে গেলেন অনেককেই।

ক্যাপ্টেন সাঠে একটা সময় বিমানবাহিনী ১৭ নম্বর স্কোয়াড্রনের উইং কম্যান্ডার ছিলেন। ভারতীয় বিমানবাহিনী থেকে তাকে ‘শোর্ড অফ অনার’ সম্মানে ভূষিত করা হয়। এত অভিজ্ঞতা ও বুদ্ধিমত্তার অধিকারি হয়েও পারলেন না দুর্ঘটনা এড়াতে। সেই বিমান দুর্ঘটনাই জীবন কেড়ে নিল তার। সূত্রের খবর, শুক্রবার কেরালার আবহাওয়া অত্যন্ত খারাপ থাকায় কোঝিকোড়ের টেবিলটপ রানওয়েতে অবতরণের আগেও দুই বার অবতরণের চেষ্টা করেছেন দুই পাইলট। কিন্তু প্রতিবারই অতিরিক্ত বৃষ্টি আটকে দিয়েছে অবতরণ।

যাত্রীরা জানিয়েছেন, ক্যাপ্টেন সাঠে তাঁদের অবতরণের আগেই সতর্ক করে দিয়েছিলেন ‘আবহাওয়া খারাপ যে কোনও মুহুর্তে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। রানওয়েতে নামার পর চাকা পিছলে যাচ্ছে বুঝতে পেরেছিলেন সাঠে। তাই তখনই বিমানের ইঞ্জিন বন্ধ করে দিয়েছিলেন তিনি। যে কারণে. ভয়াবহ দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে। শেষমেষ বিমানের বাকি যাত্রীদের নতুন জীবন দিয়ে তার আর বাড়ি ফেরা হলনা।

অনেকেই বলছেন, আকাশে অনেকবার বিমান নিয়ে চক্কর মারেন তিনি বিমানের তেল শেষ করার জন্য। কারন তিনি বুঝতে পেরেছিলেন বিমানের ল্যান্ডিং গিয়ারে সমস্যা আছে ঠিকঠাক ল্যান্ডিং করা সম্ভব নয়। ক্যাপ্টেন সাঠের জন্যই প্রাণে বাচলেন অনেক যাত্রী। তাই কবির ভাষায় বলতে হয় “নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান ক্ষয় নাই, তার ক্ষয় নাই”

সুত্র: দা নিউজ বাংলা