করোনা মহামারীতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ব্যবসায় ধস

৬ই জুন, ২০২০ || ১১:১৬:৪৬
4
Print Friendly, PDF & Email

সিনিয়র করসপন্ডেন্ট, ঢাকাঃ
করোনা মহামারীতে এ বছর ঈদ এবং পহেলা বৈশাখ কেন্দ্রিক ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ব্যবসায় ধস নেমেছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো। অবস্থার উন্নতি না হলে ব্যবসা থেকে ছিটকে পড়তে পারেন অনেকে। এ অবস্থায় আসছে বাজেটে সরকারকে নারী ও এসএমই উদ্যোক্তাদের দিকে বিশেষ নজর দেয়ার তাগিদ দেন উদ্যোক্তারা। করোনা মহামারীর বাজেটে এসএমই উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি নারী স্বাস্থ্য ও শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব দেয়ার পরামর্শ অর্থনীতিবিদদের।

দেশের অর্থনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ সীমিত হলেও শক্তিশালী। এরমধ্যে গেলো কয়েকবছর ধরে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছেন নারীরা। করোনা মহামারীতে পহেলা বৈশাখ আর রমজানের ঈদকে কেন্দ্র করে এবার কোন ব্যবসাই পরিচালনা করতে পারেননি ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা। এ অবস্থায় বিপর্যস্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে ১৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। নারী উদ্যোক্তারা বলছেন, বরাদ্দের এই অর্থের সুষম বণ্টন এবং সহজ শর্ত ও স্বল্প সুদে ঋণ পাওয়া গেলে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা সম্ভব।

একজন নারী উদ্যোক্তা বলেন, নারী উদ্যোক্তারা পুঁজি হারিয়েছে। তাদের পক্ষে হুটকরে আবার ব্যবসা চালু করা সম্ভব না। এদের জন্য পজিটিভ ব্যবস্থা করতে হবে। অর্থনৈতিক কার্যক্রমে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন বাধা দূর করতে বাজেটে সুনির্দিষ্ট বরাদ্দ জরুরি বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা।

অর্থনীতিবিদ নাজনীন আহমেদ বলেন, টিকে থাকার সংগ্রামী বাজেটে নারী উদ্যোক্তারা যে ছোট ছোট পদক্ষেপ নিয়েছে তা এগিয়ে নিতে আমাদেরই সাহায্য করতে হবে।

এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সমীক্ষা অনুসারে, বাংলাদেশের জিডিপিতে এসএমই খাতের অবদান ২০ থেকে ২৫ শতাংশ। বর্তমানে দেশের প্রায় আড়াই কোটি মানুষের সরাসরি কর্মসংস্থান ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পখাতে।