হাতি হত্যার বিচার চেয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট রতন টাটার

৪ই জুন, ২০২০ || ০১:৩৪:২১
16
Print Friendly, PDF & Email

ইন্টারন্যাশনাল নিউজ ডেস্কঃ
মানুষ কতটা হিংস্র হতে পারে তার প্রমান আরও একবার মিলল। মানবিকতা তলানিতে এসে ঠেকলেই বোধহয় মানুষ এতটা নিষ্ঠুর হতে পারে ! গর্ভবতী হাতি খাবারের সন্ধানে কেরলের এক গ্রামে আসে। একটু খাবার চাইছিল সে। কাউকে কোনও ক্ষতি করেনি। কারও বাড়ি ভাঙেনি। নিছক মজা বা অমানবিকতায় তার দিকে ছুঁড়ে দেওয়া হল আনারস। খাবার দেখে হাতিটি ছুটে যায়। কিন্তু আনারস মুখে দিতেই ঘটে গেল অঘটন। আনারসের মধ্যে ভরা ছিল বাজি । যা হাতির মুখে গিয়ে ফেটে যায়। জ্বলতে থাকে হাতির মুখ, জিভ পুড়ে যায়। এভাবেই তিনদিন যন্ত্রণা ভোগ করে সে।

শেষে না পেরে, ছটফট করতে করতে হাতিটি একটি পুকুরে গিয়ে মুখ ডুবিয়ে রাখে। একটু শান্তির জন্য। আর তার পেটের সন্তানটিকে রক্ষা করার শেষ চেষ্টা করে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। ওভাবে দাঁড়িয়েই মৃত্যু হয় তার। মানুষ যে কতটা হিংস্র হতে পারে, এর থেকে বড় উদাহরণ আর কি হতে পারে।

এই ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছে গোটা সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে। সবাই প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এবার প্রতিবাদ জানালেন ভারতের শিল্পপতি রতন টাটা। তিনি তাঁর ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে একটি ছবি পোস্ট করে লেখেন, “আমি ভাবতেও পারছি না মানুষ এমন কাজ করতে পারে। একটা অসহায়, অবলা প্রেগন্যন্ট হাতিকে আনারসের মধ্যে কারতুজ ভরে মেরে ফেলতে পারে ! এ ভয়ংঙ্কর। এটা ভয়ানক ক্রিমিনাল কাজ। মানুষ খুন আর হাতি খুনের মধ্যে কোনও তফাত নেই। অবিলম্বে বিচার হোক।”