লাইসেন্সবিহীন, অদক্ষ চালকে সয়লাব ঢাকা

19
Print Friendly, PDF & Email

একটি মোটর সাইকেল বা গাড়ি কিনে মোবাইলে রাইড শেয়ারিং অ্যাপ ডাউনলোড করে যে কেউই নেমে পড়ছেন ঢাকার রাস্তায়। এমনকি এক সময়ের রিকশাচালক, পান সিগারেটের দোকানদার কিংবা গ্রামের বেকার যুবকও এখন দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ঢাকার রাজপথ। এ কারণে রাজধানীতে ভয়াবহভাবে বেড়ে গেছে মোটরসাইকেলের সংখ্যা, সাথে দুর্ঘটনাও।

রাজধানীর রায়ের বাজার এলাকায় এক সময় রিক্সা চালাতেন মোকলেস নামের এক যুবক। গত এক বছর হলো রিক্সা বাদ দিয়ে তিনি এখন পাঠাও এর বাইক চালক। তবে তার কোন ড্রাইভিং লাইসেন্সও নেই।

জিয়াউর রহমান নামে আরেক যুবকের গল্পটাও মোকলেসের মতোই। গ্রামের কাপড়ের দোকানে লাভ হচ্ছিলো না খুব একটা। তাই দোকান বিক্রি করে মোটর সাইকেল কিনে তিনিও এখন দিনভর বাইক চালান।

একই অবস্থা লাখো বাইক ও গাড়ি চালকের। বিপুল জনসংখ্যার এই দেশে কর্মসংস্থান নিশ্চয়ই বড় চ্যালেঞ্জ, সেই জায়গা থেকে রাইড শেয়ারিং অ্যাপগুলো কিছু মানুষের কর্মসংস্থান করেছে এটি যেমন সত্য, তেমনি এটিও সত্য যে নতুন চালকদের অদক্ষতায় মাঝে মাঝেই ঘটছে দুর্ঘটনা।

রাইড শেয়ারিং অ্যাপ ব্যবহারকারী বলেন, কিছু কিছু চালক আছে যারা ঠিক মতো চালাতেও পারে না। যান-জট, সিগন্যাল কিছুই তারা মানে না।

নামটি রাইড শেয়ারিং হলেও রাইড শেয়ারের বদলে এখন হাজার হাজার চালক বেশি আয়ের আশায় অ্যাপের নিয়ম ভেঙ্গে চলছেন চুক্তিতে।

পরিবহন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোম্পানিগুলো চালকদের শুধু নিজেদের অ্যাপ ব্যবহারবিধি শেখায় কিন্তু ড্রাইভিং প্রশিক্ষনের এর ব্যবস্থা করে না। যে কারনে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমছে না।

পরিবহন বিশেষজ্ঞ সাইফুন নেওয়াজ বলেন, ঢাকা শহরের পরিবেশের সাথে রাস্তার নিরাপত্তা, ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টের সাথে তাদের জানাশোনা না থাকায় দুর্ঘটনা বেশি ঘটছে।