নায়িকার দমকা হাওয়াতেও প্রদীপ জ্বলছে গেরুয়া শিবিরে

১৩ই মে, ২০১৯ || ০৫:৪১:৩৮
13
Print Friendly, PDF & Email

মাইকে তখন ভেসে আসছে, ‘একটি জরুরি ঘোষণা। কিছুক্ষণের মধ্যে মঞ্চে উপস্থিত হবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্নেহধন্যা নুসরত জাহান।’

ডানা নেই। তবু ঘণ্টা দেড়েকের মধ্যে পরীর মতোই বসিরহাট শহরের পাঁচটি ওয়ার্ডে উড়ে বেড়ালেন নুসরত। নুসরতের ‘ইভনিং শো’ সব ওয়ার্ডেই ‘হাউসফুল’। উদ্বেল জনতাকে বাজিয়ে দেখতে বিধায়ক দীপেন্দু বিশ্বাস ও স্থানীয় নেতাদের প্রশ্ন, ‘ভোটটা নুসরতকে দিচ্ছেন তো? দেখি আপনারা কতজন হাত তোলেন?’ এক নেতা জনতার কাছে আবেদন করলেন, ‘যদি লিড দিতে না-পারি, মুখ দেখাতে পারব না।’ শহরের ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে তাঁকে জয় এনে দেওয়ার এমন মরিয়া আবেদন চলছে, তখন নুসরতও কথা দিয়েছেন ,‘আগামী দিনে এত আসব যে, আপনাদের আর আমার সঙ্গে সেলফি তুলতে হবে না।’

২০১৬-য় দীপেন্দু বিশ্বাস বসিরহাট দক্ষিণ বিধানসভা থেকে ড্যাং ড্যাং করে জিতলেও বসিরহাট এবং টাকি শহরে ২৩০০ ও ১৭০০ ভোটে এগিয়ে ছিল বিজেপি। দীপেন্দুরা দাবি করছেন, দমকা হাওয়ায় মতো নুসরতের হাজিরায় শহরাঞ্চলে বিজেপির সলতেগুলো নিভছে। ২৩ মার্চ থেকে কলকাতা বসিরহাট আপ-ডাউন। ১০ মে থেকে টাকিতে ভোটের-ঘর বেঁধেছেন নুসরত।