বিপদসীমার উপরে হার্ডিঞ্জ পয়েন্টের পানি

8

নিউজবিটোয়েন্টিফোর.কম কুষ্টিয়াঃ
কুষ্টিয়ার হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্ট এলাকায় পদ্মার পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পদ্মার বিপদসীমা ১৪ দশমিক ২৫ সেন্টিমিটার। মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) বিকেলে বিপদসীমা অতিক্রম করে ১৪ দশমিক ২৭ সেন্টিমিটারের সামান্য বেশিতে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

২০০৩ সালের পর এবারই প্রথম হার্ডিঞ্জ পয়েন্টের পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে।

এদিকে, পদ্মায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দৌলতপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর, চিলমারির পর ফিলিপনগর ও মরিচা ইউনিয়নের কিছু এলাকা নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। পাশাপাশি কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের কোমরকান্দি ও কল্যানপুর গ্রামে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

পদ্মার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় গড়াই নদীতে পানি প্রবাহ বাড়ছে প্রতিনিয়ত। জিকে ঘাট ছাড়াও বড় বাড়ার এলাকার বেড়িবাঁধের পাশে আশ্রয় নেওয়া বেশ কিছু ঘর বাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। অনেকে বাড়িঘর ছেড়ে উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন।

পানি বৃদ্ধি পেতে থাকলে কুষ্টিয়া রক্ষা বাঁধসহ অন্যান্য স্থাপনা ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

এদিকে, ভাঙন ঠেকাতে দ্রুত জিও ব্যাগ ফেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। জেলা প্রশাসন থেকে দুর্গত এলাকার মানুষের জন্য ১২ মেট্রিক টন চাল ও ৩ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পীযুষ কৃষ্ণ কুণ্ডু বলেন, ‘পানি এই মুহূর্তে বিপদসীমার কয়েক সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে দৌলতপুর উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের পর ভেড়ামারা উপজেলার মোসলেমপুরে পানি ঢুকছে। এছাড়া কুষ্টিয়া শহর, কুমারখালী ও খোকসার কিছু এলাকায় পানি প্রবেশ করে ক্ষতি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।’

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন বলেন, ‘সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে প্রতি ঘণ্টায় বন্যা পরিস্থিতি মনিটরিং করা হচ্ছে। আমাদের একাধিক টিম ঘটনাস্থলে আছে। নদীর পানির উচ্চতা বাড়ায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে প্রতিনিয়ত রিপোর্ট পাঠানো হচ্ছে।’