ক্যাসিনো চালুকারী বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা

15

সিনিয়র করসপন্ডেন্ট, ঢাকাঃ
বিএনপি-জামায়াত সরকারের সময় ক্যাসিনো যারা চালু করেছিলো তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া দরকার। এমন মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার প্রকাশনা সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা মহানগর নাট্যমঞ্চে ইউনাইডেট ইসলামী পার্টি আয়োজিত সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ বিরোধী আলেম মাশায়েক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি-জামায়াত সরকারের সময় বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস, মোসাদ্দেক আলী ফালু, সাদেক হোসেন খোকা তারাই ক্যাসিনো চালু করেছিলো। যারা ক্যাসিনো পরিচালনা করছেন তারা যেমন দায় এড়াতে পারে না, যারা চালু করেছিলো তারাও দায় এড়াতে পারে না। যারা ক্যাসিনো চালু করেছিলো তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু মদ, জুয়া বন্ধ করেছিলেন। জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল করে মদ, জুয়া চালু করেন। বিএনপি-জামায়াত যখন ক্ষমতায় ছিলো তখন ক্যাসিনো চালু হয়। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছেন।

এ সময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্দেশ্য করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আপনাদের দলের যারা ক্যাসিনো চালু করেছিলো তাদেরকে দল থেকে বহিষ্কার করেন। তাদেরকে পাশ থেকে সরিয়ে দিয়ে তারপর অন্যের সমালোচনা করেন। বিএনপি-জামায়াত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে দেশে জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করেছিলো। ইসলাম জঙ্গিবাদ সমর্থন করে না। খালেদা জিয়া ইসলামের কথা বলে ভোট নিয়েছে কিন্তু ইসলামের কোনো চর্চাই করেননি।

মন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনা কওমী মাদ্রাসার স্বীকৃতি দিয়েছেন, ১২ থেকে ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রত্যেক উপজেলায় একটি করে মসজিদ নির্মাণ করে দিচ্ছেন। বিএনপি-জামায়াত সরকারের সময় বাংলাদেশ জঙ্গি রাষ্ট্রে রূপ নিয়েছিলো। শেখ হাসিনা জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে সাহসিকতার সঙ্গে জঙ্গিবাদ দমন করেছেন। আমরা শতভাগ জঙ্গি দমন করতে না পারলেও কঠোর হস্তে দমন করছি। বিএনপি এখনও জঙ্গিবাদর আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে। তারা যদি এখান থেকে সরে আসে তাহলে আমরা সফল হবো।

ইউনাটেড ইসলামী পার্টির সভাপতি মওলানা ইসমাইল হোসেনের সভপতিত্বে সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ।