ঢাকায় ১৫টি বাড়ি আছে আ.লীগ নেতা এনামুলের

26

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, ঢাকাঃ
ঢাকায় ১৫টি বাড়ি আছে আওয়ামী লীগ নেতা এনামুল হকের। আর ক্যাসিনো ব্যবসায় উপার্জিত টাকা রাখতে বেশি জায়গা প্রয়োজন হয় বলেই কায়দা করে স্বর্ণ কিনে রাখতেন তিনি।

অভিযান শেষে মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরের পর র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-৩ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাফিউল্লাহ বুলবুল সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাফিউল্লাহ বুলবুল সাংবাদিকদের ব্রিফ করেছেন

তিনি বলেন, ‘এনামুল হক ওরফে এনু ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের ক্যাসিনো ব্যবসার অংশীদার। আর তার ভাই রূপন ভূঁইয়া মানি লন্ডারিংয়ের সঙ্গে জড়িত। আমাদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য ছিল যে ক্যাসিনোর অবৈধ টাকা রাখার জন্য তারা পাঁচটি ভল্ট ভাড়া নিয়েছেন। আর ভল্টগুলো তাদের রাজধানীর মুরগিটোলার বাড়িতে রাখা হয়েছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতেই সোমবার দিনগত রাত থেকে দুপুর পর্যন্ত আমরা এখানে অভিযান পরিচালনা করি। বাড়িটির দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় অভিযান চালিয়ে আমরা তিনটি ভল্ট পেয়েছি। পরে ম্যাজিস্ট্রেট এনে ভল্টগুলো খুলেছি। তিনটি ভল্টে এক কোটি পাঁচ লাখ টাকা এবং ৭৩০ ভরি স্বর্ণ পাওয়া যায়। এ স্বর্ণের দামও চার কোটি টাকা। অভিযানে আমরা পাঁচটি অস্ত্র উদ্ধার করেছি। বাকি দু’টি ভল্টের একটির সন্ধান নারিন্দার এক বাড়িতে পেয়েছি। আমাদের টিম এখন সেখানে যাচ্ছে।’

এনামুল আর রূপনের বাসার ভল্ট থেকে জব্দ করা টাকা ও আগ্নেয়াস্ত্র

তিনি আরো বলেন, ‘এনামুল ক্যাসিনোর অবৈধ টাকা ভোল্টে রাখতেন। তবে টাকা ভোল্টের ভেতরে বেশি জায়গা নেয় বলে তিনি টাকাকে স্বর্ণে কনভার্ট করে ফেলতেন। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় এনামুলের ১৫টি বাড়িও আছে। এনামুল ও রূপন অস্ত্র দিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের ভয় দেখিয়ে নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালাতেন। অভিযান পরিচালনার আগে রূপন পালিয়ে যান। আর এ বাড়ির লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পেরেছি, এনামুল ১৫ দিন আগেই থাইল্যান্ডে পালিয়ে গেছেন।’