‘সরকারের স্বার্থ বিনষ্ট হয় এমন কাজ করলে কঠোর ব্যবস্থা’

14

স্টাফ করসপন্ডেন্ট, ঢাকাঃ
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার কোনও কর্মকাণ্ডে নিয়মের ব্যত্যয় ঘটানো যাবে না। নিয়মের বাইরে কোনও নথি উপস্থাপন করা যাবে না। ব্যত্যয় হলে যে কর্মকর্তার মাধ্যমে নথি এসেছে, তিনি এর জন্য দায়ী হবেন। এ ব্যাপারে অত্যন্ত সচেতন থাকতে হবে। প্রত্যেকটি নথি যত্ন নিয়ে দেখতে হবে। আইন ও নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে সরকারের স্বার্থ বিনষ্ট করা হলে সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সচিবালয়স্থ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের আগস্ট ২০১৯ মাসের অগ্রগতি সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সভায় মন্ত্রণালয়ের সচিব শহীদ উল্লা খন্দকার, অতিরিক্ত সচিব ড. মোহাম্মদ আফজাল হোসেন ও ইয়াকুব আলী পাটওয়ারীসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর-সংস্থা প্রধানগণ, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকগণ এবং পরিকল্পনা কমিশন ও আইএমইডির প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য করে মন্ত্রী বলেন, কোনও অজুহাতে কোনও কাজ আটকে রাখা যাবে না। নিয়ম ও বিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। গতানুগতিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। মন্ত্রণালয়ের ইমেজ পুনরুদ্ধারে যা যা করা লাগে, সবকিছুই করতে হবে। সকল কর্মকাণ্ডের ভেতরে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং নিয়মানুবর্তিতাকে শতভাগ অনুসরণ করতে হবে।

কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ সকলে প্রশংসা করছেন। নিজেদের কোনও ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকলে তা সংশোধন করে নিন। আমি নিজের কাজের ভুল-ত্রুটি উপলব্ধি করার চেষ্টা করি। আপনাদেরও সে বিষয়টি কঠিনভাবে ধারণ করতে হবে।

দপ্তর-সংস্থা প্রধানদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, নিজেদের দপ্তরকে দক্ষতার সাথে ব্যবস্থাপনা করতে হবে। সকলকে আস্থায় আনতে হবে। দায়বদ্ধতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে কাজ করতে হবে। কোনভাবে নিজ প্রতিষ্ঠান, দপ্তর-সংস্থা ও মন্ত্রণালয়কে হেয়-প্রতিপন্ন করা যাবে না।

পরবর্তী এডিপি সভার আগে দপ্তর-সংস্থার বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণমূলক কার্যক্রম লিখিতভাবে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার জন্য মন্ত্রী দপ্তর-সংস্থা প্রধানদের নির্দেশ দেন।