বাদশার হুঁশিয়ারি: মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী কেউ যেনো রাবি প্রশাসনে না আসে

21
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন রিপোর্ট:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) নিয়ে জটিলতার শেষ যেনো কিছুতেই হচ্ছে না। বিগত ভিসির শেষদিনে মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে দেয়া নিয়োগ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

ভিসি নিয়োগে দীর্ঘসূত্রতার কারণে অবৈধ নিয়োগপ্রাপ্তরা দায়িত্বপ্রাপ্ত ভিসির বিরুদ্ধে আন্দোলন অবরোধ করছেন পদায়নের দাবিতে। এর অবসানে দ্রুত ভিসি নিয়োগ দেয়া অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। সময় থাকতেই বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি দেয়া দরকার। এ ব্যাপারে গড়িমশি মানুষকে বিস্মিত করছে। বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রাজশাহীর সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা।

তিনি বলেন, “রাবি পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ভিসি নিয়োগদান যেমন জরুরি, তেমনি এক্ষেত্রে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে নিয়োগ দেয়াটা আরও জরুরি।” বাদশা বলেন, “ভিসির গ্রহণযোগ্যতাও প্রশ্নাতীত হতে হবে। কোনো দায়িত্বপূর্ণ পদে বিতর্কিত ব্যক্তির নিয়োগ ঐতিহ্যবাহী এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তির যেটুকু অবশিষ্ট আছে তাকেও ধূলায় মিশিয়ে দেবে। বিতর্কিত, বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী বিতর্কিত ভূমিকার কাউকে ভিসি-প্রো-ভিসি নিয়োগ কেউই মেনে নেবে না। তখন বিষয়টি আর বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীন থাকবে না। তখন এটি রাজনৈতিক বিষয়ে পরিণত হবে।”

শিক্ষামন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির এই জ্যেষ্ঠ সদস্য আরও বলেন, “মনে রাখা দরকার- এক সময় জেনারেল জিয়া ড. আবদুল বারীকে ভিসি নিয়োগ দিয়েছিলেন যিনি স্বাধীনতাবিরোধী ছিলেন। তার বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজ দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলে তাকে করে বিদায় করেছিল।”

রাকসুর সাবেক এই ভিপি বলেন, “রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতীক। এখানে বিতর্কিত কাউকে আনা হলে এর বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রতিবাদ জানানো ছাড়া আমাদের উপায় থাকবে না।”