থাইল্যান্ডে করোনার ভয়ে কারফিউ জারি

9
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন রিপোর্ট:
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে নানা বিধিনিষেধের পাশাপাশি থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক এবং আশপাশের ছয়টি প্রদেশে ৫ ঘণ্টার রাত্রিকালীন কারফিউ জারি করা হয়েছে। খবর ভয়েস অব আমেরিকার।

দীর্ঘ বৈঠকের পর শুক্রবার (৯ জুলাই) দেশটির সরকারের করোনা ভাইরাস টাস্করফার্সের এক কর্মকর্তা বিধিনিষেধ আরও কড়াকড়ির ঘোষণা দেন।

এতে বলা হয়, আগামী সোমবার (১২ জুলাই) রাত ৯টা থেকে ২টা পর্যন্ত কারফিউ জারি থাকবে। এ সময় জনগণকে ঘরে থাকতে অনুরোধ করা হয়েছে।

দেশটিতে গত এপ্রিলে শুরু হওয়া সংক্রমণের তৃতীয় ধাপে দৈনিক সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শনিবার (১০ জুলাই) ব্যাংকক পোস্টের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দেশটিতে ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৯১ জন। এ সময় আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৩২৬ জন।

এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজধানীর এক কোটির বেশি লোকের পাশপাশি আশপাশের এলাকা এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশের জনগণের ওপর প্রভাব পড়বে।

করোনা টাস্কফোর্সেও সহকারী মুখপাত্র আপিশামাই শ্রীরঙ্গসন বলেন, ‘সর্বাধিক বিধিনিষেধ আরোপ এলাকায় বসবাসকারী লোকদের অসুবিধার জন্য আমরা ক্ষমা প্রার্থী, তবে এটি রোগ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হবে, এতে থাইল্যান্ড জয়ী হবে।’

এ সময় সুপারমার্কেট, রেস্তোরাঁ, ব্যাংক, ফার্মেসি এবং ইলেকট্রোনিকস দোকান খোলা থাকবে। তবে অন্যান্য দোকান বন্ধ রাখতে হবে। এয়ার এশিয়া শুক্রবার সন্ধ্যায় জানিয়েছে, আভ্যন্তরীণ ভ্রমণ হ্রাসের জন্য তারা থাইল্যাান্ডে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বন্ধ রাখবে।

ডবমান সংস্থাাটি বলেছে, তারা ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবে এবং ১ আগস্ট পুনরায় ফ্লাইট চালু হবে।
করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, শনিবার (১০ জুলাই) সকাল ৭টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে মারা গেছেন আরও ৮ হাজার ৯৩০ জন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ৪ লাখ ৮৬ হাজার ৫৪২ জন।

এ নিয়ে বিশ্বে এখন পর্যন্ত মোট করোনায় মৃত্যু হলো ৪০ লাখ ৩৪ হাজার ৮০৩ জনের এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১৮ কোটি ৬৮ লাখ ১৪ হাজার ৫৯৮ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৭ কোটি ৮ লাখ ৭৩ হাজার ৪০৯ জন।

করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ কোটি ৪৭ লাখ ১০ হাজার ৭৩৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ৬ লাখ ২২ হাজার ৬৯৮ জনের।