ই-কমার্স খাতের অর্থনীতি: ডিজিটাল উদ্যোক্তা বাড়ছে, পণ্য পৌঁছানোর চ্যালেঞ্জ থাকছেই

13
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন রিপোর্ট:
করোনাকালে দেশে এক লাখ নতুন ডিজিটাল উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে। আগামী বছরের মধ্যেই আরও পাঁচ লাখ উদ্যোক্তা আসতে পারে বলে এক গবেষণা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জানিয়েছে সিপিডি।

সোমবার (৫ জুলাই) এক ভার্চুয়াল সভায় করোনাকালে ই-কমার্স খাতের অর্থনীতি কেমন চলছে, সে বিষয়ে গবেষণা করেছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ।

গবেষণা প্রতিবেদনে সিপিডি জানিয়েছে, গুণগত মান আর সময়মতো পণ্য পৌঁছে দেয়া এখনও বড় চ্যালেঞ্জ। যা দ্রুতই উৎরে যেতে শুরু করেছে বাংলাদেশ।

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোর ক্রমবর্ধমান প্রভাব এবং সংশ্লিষ্ট নানামুখী চ্যালেঞ্জের উপরে জোর দিয়ে সিপিডি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন এবং এফইএস বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি ফেলিক্স কোলবিৎজ সংলাপে সূচনা বক্তব্য প্রদান করেন।

ফাহমিদা খাতুন বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সুবিধাগুলো কাজে লাগাতে হলে আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে। মানবসম্পদের দক্ষতা বাড়ানো, আর্থিক সুবিধা এবং নীতিমালা তৈরি করে এই খাতটি থেকে আমরা লাভবান হতে পারবো। উদ্যোক্তা ও ভোক্তা বৃদ্ধির পাশাপাশি কর্মসংস্থান তৈরিতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

সিপিডি মনে করছে মহামারির মধ্যে ইন্টারনেটে সেবা হয়ে এসেছে আরও সহজলভ্য। বিকাশ ঘটছে ডিজিটাল অর্থনীতির। ডিজিটাল মাধ্যমে পণ্যের মান নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ। সময়মতো পণ্য পৌঁছে দেওয়া আর ব্যবস্থাপনাতেও হতে হবে আরও দক্ষ।

দেশে এখন ফেসবুক কেন্দ্রীক উদ্যোক্তা ৫০ হাজারের বেশি। ওয়েবসাইভিত্তিক উদ্যোক্তার সংখ্যা দুই হাজার বলেও জানায় সিপিডি।