যেভাবে ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট ‘ইব্রাহিম রাইসি’র উত্থান

13
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন রিপোর্ট:
মাত্র ২০ বছর বয়সে কারাজ শহরের প্রধান প্রসিকিউটর। সেখান থেকে ৬১ বছর বয়সে ইরানের ১৩তম প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। জীবনের বেশির ভাগ সময়ই কট্টর রক্ষণশীল রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। সবশেষ বিচার বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, দুই সন্তানের জনক মধ্যপ্রাচ্যের পরাশক্তি ইরানের এই নতুন প্রেসিডেন্ট।

সাঈদ ইব্রাহিম রাইসি। ১৯৬০ সালের ১৪ ডিসেম্বর ইরানের মাসাদ শহরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। শৈশব-কৈশোর থেকেই নানাক্ষেত্রে প্রজ্ঞার পরিচয় দিয়েছেন রাইসি। মাত্র ২০ বছর বয়সেই কারাজ শহরের প্রধান প্রসিকিউটরের দায়িত্ব নেন তিনি।
এরপরই থেকেই ইরানের বিচার বিভাগের সঙ্গে সম্পৃক্ত রাইসি। বিচারব্যবস্থার ওপর অর্জন করেছেন উচ্চতর ডিগ্রি। মূলত ইরানের ইসলামি বিপ্লবের পর দেশটির নতুন বিচারব্যবস্থা গঠনের পেছনে ছিল ইব্রাহিম রাইসির অনবদ্য অবদান।

রাজনৈতিকভাবে কট্টর রক্ষণশীল নেতা হিসেবে পরিচিতি তিনি। ১৯৭৯ সালে ইরানে সংগঠিত ইসলামি বিপ্লবের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ছিল এই নেতার। সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং সহযোগী হিসেবে পরিচিতি পান তিনি।

১০ বছর ডেপুটি হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর, ২০১৪ সালে ইরানের বিচার বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন রাইসি। এরপর ২০১৬ সালের এপ্রিলে সেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়ে পার্লামেন্টের বিশেষজ্ঞ প্যানেলে যোগদান করেন।

এরপর ২০১৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিলেও মধ্যপন্থি নেতা হাসান রুহানির কাছে পরাজিত হন তিনি। তবে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির সমর্থন নিয়ে সদ্য শেষ হওয়া নির্বাচনে বিপুল জয় পান ৬১ বছর বয়সী সাঈদ ইব্রাহিম রাইসি।