বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থা থেকে বিশ্বের শেখার আছে: তথ্যমন্ত্রী

16
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ করসপন্ডেন্ট, ঢাকা:
বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থা থেকে বিশ্বের অনেক কিছু শেখার আছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড.হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, অনেকে উন্নত বিশ্বের সমাজ ব্যবস্থা চায়। যে সমাজে বাবা-মা পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক থাকে না, বৃদ্ধা বাবা-মা মরে গিয়ে পঁচা গন্ধ বের হলেও পাশ্ববর্তী ঘর থেকে ফোন দিলেও ছেলে-মেয়েরা দেখতে আসে না, সেই সমাজ ব্যবস্থা আমরা চাই না।

বুধবার (১৬ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের ‘তামাক নিযন্ত্রণ আইন সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক এক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, যে সমাজ ব্যবস্তায় ৫০% ডিভোর্সী নারী। সেই তুলনায় বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থা অনেক ভালো এবং বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থা থেকে বিশ্বের অনেক কিছু শেখার আছে। ইউরোপ আমেরিকার মতো সমাজে ব্যবস্থা চাই না।

তিনি বলেন, দেশে ধূমপায়ীদের পরিমাণ কমে আসছে। আগের মতো প্রকাশ্যে ধুমপান হয় না। কেউ প্রকাশ্যে ধুমপান করলে জরিমানা করারও আইন আছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “২০৪০ সালে ধুমপান মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলা হবে, এ জন্য কারো আন্দোলন করার দরকার নাই।”

ধুমপানের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসক্তির বিষয় ও মাদকের বিরুদ্ধে ক্যাম্পেইন করার আহ্বান জানিয়ে সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ধুমপানের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও মানুষ একধরনের আসক্ত হয়ে পড়ছে। এই সমাজিক মাধ্যমে আসক্তির কারণে ছেলেদের প্রতি বাবা মা নজর না দিয়ে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিয়ে পড়ে থাকে এতে করো ছেলে মেয়েরা দূরে সরে যায়।

তিনি বলেন, মাদকাসক্ত ছেলে নেশায় আসক্ত হয়ে পরিবারের সদস্যদের হত্যা করেছে এমন খবর অহরহ শোনা যায়। মাদকাসক্ত লোকটি শুধু নিজেকে ধ্বংস করে না তা পুরো একটা ফ্যামিলিকে ধ্বংস করা। মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থানে থাকার কারণে ও সঠিক সিদ্ধান্তের জন্য আগের থেকে কমে আসছে এসব ঘটনা। সন্তানদের ভালোভাবে মানুষ করার জন্য তাদের প্রতি খেয়াল রাখা জরুরি এবং তাদের সময় দিতে হয়। এসব বিষয় থেকে মুক্ত করার জন্য পারিবারিক সন্তানের সময় দেওয়া জরুরি।

বড় হয়ে গেলে তার সাথে বসে লাভ হবে না, ছোট থেকে বসতে হবে। মাদক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আসক্তির বিষয়টি নিয়েও ক্যাম্পেইন করার দরকার।

এখন মধ্যে উদ্বেগজনক হলো মাদকাসক্ত এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই বিষয়ে আসক্ত হয়ে ওঠেছে। এই বিষয় নিয়েও সাংবাদিকরা লেখালেখি করছে আরো করা উচিত বলেও জানান আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক।