চীনের সিনোভ্যাকের তৈরি করোনাভ্যাক প্রয়োগের জরুরি অনুমোদন দিল সরকার

11
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন রিপোর্ট:
বাংলাদেশে জরুরি ব্যবহারের জন্য চীনের প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাকের তৈরি টিকা করোনাভ্যাকের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এটি দেশটিতে ব্যবহারের জন্য অনুমোদন পাওয়া করোনা ভাইরাসের পঞ্চম টিকা।

রোববার ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমানের স্বাক্ষর করা এক চিঠিতে জানানো হয়েছে, চীনের সিনোভ্যাক লাইফ সায়েন্স কোম্পানি লিমিটেডের উৎপাদিত এই টিকা জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদনের জন্য আবেদন করে ইনসেপ্টা ভ্যাকসিন লিমিটেড।

ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড বাংলাদেশে সিনোভ্যাকের স্থানীয় এজেন্ট। ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে ওষুধ প্রশাসন সিনোভ্যাকের টিকাটি জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে।

ওষুধ প্রশাসনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চীনে ফেব্রুয়ারির ৯ তারিখে ভ্যাকসিনটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

সিনোভ্যাকের তৈরি এই টিকা বাংলাদেশ ছাড়া আরো ২২টি দেশে জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন পেয়েছে।

সিনোভ্যাকের এই টিকা দিতে পারবেন ১৮ বছরের বেশি বয়সী যে কোন ব্যক্তি। প্রত্যেককে এই টিকার দুই ডোজ নিতে হবে, দুই বা চার সপ্তাহ পর এই দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিতে হবে।

ওষুধ প্রশাসনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সিনোভ্যাকের টিকা সংরক্ষণের জন্য নির্ধারিত তাপমাত্রা দুই থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

বাংলাদেশে এর আগে জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পাওয়া টিকাগুলো হচ্ছে অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড, রাশিয়ার উৎপাদিত স্পুটনিক ভি, চীনের সিনোফার্ম এবং ফাইজারের টিকা।

এর আগে ১২ই মে বাংলাদেশকে পাঁচ লাখ টিকা উপহার হিসেবে দিয়েছিল চীন। ৫টি ভ্যাকসিন প্রয়োগের অনুমোদন দেয়া হলেও এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে শুধুমাত্র অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্ভাবিত টিকাই প্রয়োগ করা হয়েছে, যেটির স্থানীয় এজেন্ট বেক্সিমকো।

এই টিকাটি তৈরি করা হয় ভারতের টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সিরাম ইনস্টিটিউটে। ভারত এই টিকা রপ্তানির উপর নিষেধাজ্ঞা দেয়ার কারণে বাংলাদেশের আর এই টিকা পাওয়ার সম্ভাবনা হুমকির মুখে পড়েছে।