সংক্রমণের মধ্যেই পাটুরিয়ায় ফেরি ও ট্রলারে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার, নেই স্বাস্থ্যবিধি

10
Print Friendly, PDF & Email

ডিষ্ট্রিক্ট করসপন্ডেন্ট, রাজবাড়ী:
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের মধ্যেই কয়েকগুণ বেশি ভাড়া দিয়ে ফেরি ও ট্রলারে গাদাগাদি করে নদীর পারপার হচ্ছে ঈদে ঘরে ফেরা মানুষ। এতে স্বাস্থ্যবিধি মানা তো দূরের কথা সঠিকভাবে মাস্কও ব্যবহার করছে না অনেকে।

শনিবার (০১ মে) সকালে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। ঘাট এলাকাগুলোতে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। অনেকে আবার ফেরি না পেয়ে ট্রলারে করেই নদী পার হচ্ছে। এতে ঝুঁকি যেমন বাড়ছে, তেমনি দুর্ঘটনার আশঙ্কাও রয়েছে। তবুও থেমে নেই নদী পারাপার।

দেখা গেছে, লকডাউনে সামাজিক দূরত্ব তো মানছেই না বরং গাদাগাদি করে ট্রলারে পার হচ্ছেন অনেকে। ঘাট এলাকায় মানুষকে জড়ো হয়ে থাকতেও দেখা যায়। এ সময় অনেকে মাস্ক ছাড়াও ঘোরাঘুরি করছে ঘাট এলাকায়। ঘাটে আসা মানুষ দিচ্ছেন নানা অজুহাত।

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা-কাজির হাট নৌরুটে ছোট-বড় ২০টি ফেরি ও ৩৪টি লঞ্চ রয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় ও জরুরি যানবাহন পারাপারের জন্য রাতে সব ফেরি চললেও দিনে ছোট ৪টি ফেরি চলাচল করছে। ভিড় এড়াতেই অনেকে আগেভাগেই ঈদে ঘরে যাচ্ছেন বলে জানান যাত্রীরা।

পলাশ নামে একজন যাত্রী জানান, ঈদের আর মাত্র ১২ থেকে ১৩ দিন রয়েছে। তাই আগেভাগেই বাড়িতে যাচ্ছি। অফিসও বন্ধ, লকডাউন শেষ হলে আরও ভিড় বাড়বে।

শাকিল হোসেন জানায়, ফেরিতে গাদাগাদি করে আসলাম। ঝুঁকি তো আছেই। তারপরও যেতে হবে তাই যাচ্ছি। গণপরিবহন না থাকায় বেশি ভাড়া নিয়ে দিতে হচ্ছে।

ঘাট ব্যবস্থাপক মো. সালাম হোসেন জানান, যে যানগুলো ঘাটে পারের জন্য আসছে আমরা পার করছি। তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় ও জরুরি যানবাহনকে অগ্রাধিকার দিচ্ছি। অ্যাম্বলেন্স ও জরুরি যানবাহনের সাথে প্রাইভেটকারও পার হচ্ছে। রাতের দিকে ঘাট দিয়ে ৩ হাজার যানবাহন পার হয়েছে বলেও জানান এ ব্যবস্থাপক।