নগরীতে পর্যাপ্ত গণপরিবহন না থাকায় যাত্রীদের ক্ষোভ চরমে

14
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন রিপোর্ট:
একদিকে গণপরিবহনে অর্ধেক আসন ফাঁকা রাখা অন্যদিকে হুট করে রাইড শেয়ারিং সার্ভিস বন্ধের ঘোষণায় ভোগান্তির মাত্রা ছাড়িয়েছে নগরবাসীর। করোনা সংক্রমণ রোধে গণপরিবহনে যাত্রীসেবার নতুন নিয়মের দ্বিতীয় দিনেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা বাসের অপেক্ষায় সড়কে দাঁড়িয়ে থাকেন সাধারণ মানুষ। আবার বাসে আসন পেলেও অভিযোগ ছিল অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের। তবে, পর্যাপ্ত গণপরিবহন নিশ্চিত না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ।

রাজধানীর গুলিস্তান থেকে বনানী যাওয়ার পথে বাংলামটরে যাত্রী নামিয়ে দেয় পুলিশ। ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে বাকবিতন্ডায় জড়ান রাইড শেয়ারিং পেশায় জড়িত মুস্তাকিম।

করোনার সংক্রমণ রোধে বিআরটিএ’র রাইড শেয়ারিং সার্ভিস বন্ধের ঘোষণায় বাইক নিয়ে বিপাকে পড়েন চালকেরা। সড়কের মোড়ে মোড়ে মোটরসাইকেল নিয়ে একপ্রকার লুকিয়ে যাত্রী বহনের চেষ্টা করতে দেখা গেছে তাদের। অনেকে যাত্রী বহন করে পড়েছেন মামলার মুখে।

রাইড শেয়ারিং সার্ভিসের চালক হামিদুর রহমান বলেন, সরকার-তো অনেক নিয়ম করে দিয়েছে, সেটাতো মানতে দেখি না। বাসে দুজন করে বসতেছে। সিএনজিতে তিন-চারজন করে বসতেছে। সেটার দিকে নজর নেই।

করোনার প্রথম ঢেউয়ের ধাক্কায় চাকরি হারিয়ে অনেকেই পেশা হিসেবে বেছে নেন বাইক শেয়ারিং। এমনই একজন রাজধানীর মধ্যবাড্ডার বাসিন্দা রুবেল। হঠাৎ করে সার্ভিস বন্ধের ঘোষণার অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে তার মতো আরো অনেকের আয় রোজগারের পথ।

এদিকে, গণপরিবহনে যাত্রী সেবার দ্বিতীয় দিনেও সরকারি পরিবহন পুল বিআরটিসিতে দেখা গেছে অতিরিক্ত যাত্রী। তবে অধিকাংশ রুটের বাসে অর্ধেক যাত্রী পরিবহন করায় যাত্রীরা পড়েন বিপাকে। পাশাপাশি ছিল অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ।

যাত্রীরা জানান, গতকালও ভোগান্তিতে পড়েছিলাম। আজকেও একই অবস্থা। আবার ভাড়াও বেশি নিচ্ছে।

দেশে করোনা সংক্রমণের প্রথম পর্যায়ে গতবছরের পহেলা জুন গণপরিবহনের অর্ধেক আসন ফাঁকা ও ষাট শতাংশ ভাড়া বাড়ায় সরকার।