মামুনুলকে গ্রেপ্তার না করলে সারাদেশে হরতালের হুসিয়ারী

31
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ করসপন্ডেন্ট, ঢাকা:
আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে হেফাজত নেতা মামুনুল হককে গ্রেপ্তার করতে হবে। এ সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার না করলে আগামী ৫ এপ্রিল সারাদেশে সকাল ও সন্ধ্যা হরতাল দেয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী পিপলস পার্টি। এছাড়া রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংসের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে ধর্মীয় এই সংগঠনটি৷

বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে ইসলামী পিপলস পার্টি আয়োজিত ‘ইসলামের নামে যারা রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংস করে ইসলামের দৃষ্টিতে তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়া উচিত’-শীর্ষক আলোচনা সভা থেকে এ ঘোষণা দেন বাংলাদেশ পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান মাওলানা মো. ইসমাইল হোসাইন।

আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা কাজী শাহ মোহাম্মদ ওমর ফারুক, আলহাজ্ব মো. হাজী হাবিবুল্লাহ, নড়াইলের পীর হারুনুর রশিদ মিরন, মাওলানা কাজী আব্দুল কাইয়ুম, হাফেজ মাওলানা আব্দুল আজিজ, হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ তাহেরুল ইসলাম, হাফেজ মো. আবুল কালাম, হাফেজ মাওলানা মো. ইব্রাহিম, মুফতি মাওলানা মো. তাজুল ইসলাম প্রমুখ।

আলোচনা সভায় মাওলানা মো. ইসমাইল হোসাইন বলেন, মামুনুল হকসহ সহিংসতার নির্দেশদাতা হেফাজত নেতাদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারের প্রতি জোর দাবি থাকবে, ইসলামের নামে যারা এ সমস্ত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করেছে তাদেরকে আগামী চার দিনের মধ্যে গ্রেপ্তার করতে না পারলে আমরা আগামী ৫ এপ্রিল সারাদেশে সকাল ও সন্ধ্যা হরতাল পালন করা হবে। রিকশা-সাইকেল কোনো কিছুই চলতে দেব না। সেই সঙ্গে মামুনুল হকের বাড়ি ঘেরাও করা হবে।

তিনি বলেন, পবিত্র কোরআন ও হাদিসে বলা আছে জ্বালাও-পোড়াও করে রাষ্ট্রীয় সম্পদ নষ্ট করার কোনো সুযোগ ইসলামে নেই। ইসলামের স্বার্থে বা ইসলামিক কোনো দাবি আদায়ের ক্ষেত্রেও ইসলামের প্রকৃত দৃষ্টিভঙ্গি এবং শান্তিপূর্ণ পদ্ধতি অনুসরণ করা উচিত। এক্ষেত্রে দেশে ইসলামী ধর্মীয় দলগুলোকে আরো সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনের প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ করে হেফাজতে ইসলাম। এসময় সহিংসতায় বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়। এছাড়া ব্যাপক জ্বালাও-পোড়াও ও ভাঙচুর করা হয়। একাধিক সরকারি প্রতিষ্ঠান ও থানায় হামলার ঘটনা ঘটে।