কুষ্টিয়ায় এনআইডি জালিয়াতির দায়ে অভিযুক্ত সেই ইসি কর্মকর্তারা বরখাস্ত

13
Print Friendly, PDF & Email

ডিষ্ট্রিক্ট করসপন্ডেন্ট, কুষ্টিয়া’
জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) জালিয়াতির ঘটনায় অভিযুক্ত নির্বাচন কমিশনের উপ-সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাসহ পাঁচ জনকে দায়িত্ব থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

তারা হলেন— ফরিদপুরের সাবেক জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও উপ-সচিব নওয়াবুল ইসলাম, ফরিদপুরের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, কুষ্টিয়া সদর থানার নির্বাচন কর্মকর্তা ছামিউল আলম, মাগুরা সদরের থানা নির্বাচন কর্মকর্তা অমিত কুমার দাস এবং অফিস সহকারী জি এম সাদিক।

কুষ্টিয়ায় এক ব্যক্তির পুরো পরিবারের সদস্যদের নামে ভুয়া এনআইডি সরবরাহ করার অভিযোগে তাদের বরখাস্ত করা হয়। এর আগে একই অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ইসি।

ইসির যুগ্ম-সচিব ও পরিচালক (জনসংযোগ) এসএম আসাদুজ্জামান গণমাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, অভিযুক্তদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গত ৪ মার্চ ভোটার তালিকা আইনের ২০ ধারা, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টে ২৪, ৩৩ ও ৩৫ ধারা, পেনাল কোডে ১০৯, ৪২০, ৪৬৮ ধারা ও জাতীয় পরিচয়পত্র আইনের ১৭ ও ১৮ ধারায় মামলা করা হয়েছে। ছামিউল আলমের বিরুদ্ধে কুমারখালী থানায় ও বাকিদের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান।

জানা যায়, এম এম এ ওয়াদুদ, বাবা মৃত আব্দুল হাকিম, সাং-১১০, এনএস রোড কুষ্টিয়া ও তার পরিবারের ৬ সদস্যের নামে জালিয়াতির মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্র গ্রহণ করা হয়— এই অভিযোগের তদন্তে ওই কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হওয়ায় নিয়মিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

সূত্র জানায়, ওয়াদুদ ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে ভুয়া এনআইডি তৈরি করে একটি চক্র ওয়াদুদের জমি বিক্রি করে দেয়। ওয়াদুদ বিষয়টি জানার পর ইসিতে অভিযোগ দেন। তদন্তের পর প্রথমে নিজস্ব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে ইসি। এরপর তাদেরকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।