কার্টুনিস্ট কিশোর আদালতেও নির্যাতনের বর্ণনা দিলেন

15
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন রিপোর্ট:
আদালতে হাজির হয়ে হেফাজতে থাকাকালে নির্যাতনের শিকার হওয়ার বর্ণনা দিয়েছেন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়েরকৃত মামলার আসামি কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর।

আজ বুধবার দুপুরে ঢাকার মহানগর দায়রা ও জজ আদালতে তিনি এ বর্ণনা দেন।

ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ কার্টুনিস্ট কিশোরের বক্তব্য রেকর্ড করেন এবং দু-একদিন পর আদেশ দেবেন বলে জানান।

কিশোরের বক্তব্য রেকর্ডের পর তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে দু-একদিন পর আদেশ দেওয়া হবে এবং আদেশটি একটু বড় হবে।’

আদালত থেকে আমাদের সংবাদদাতা জানান, আজ দুপুর দেড়টার দিকে কিশোর আদালতে আসেন। এরপর প্রায় আধাঘণ্টা ধরে তিনি আদলতে নির্যাতনের লোমহর্ষক বর্ণনা দেন।

আদালতকে কিশোর বলেন, ‘আমি বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক। প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। গত ৫ মে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আমাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। কিন্তু, ২ মে আনুমানিক পৌনে ৬টার সময় ১৬ থেকে ১৭ জন সাদা পোশাকধারী লোক আমার কাকরাইলের বাসা থেকে জোর করে হাতকড়াসহ মুখোশ পরিয়ে অচেনা নির্জন জায়গায় নিয়ে যায়।’

‘২ মে থেকে ৪ মে পর্যন্ত’ নির্যাতনের কথা আদালতকে জানিয়ে কিশোর বলেন, ‘করোনা নিয়ে আমার আঁকা কিছু কার্টুন দেখিয়ে কেন এঁকেছি এবং কার্টুনের চরিত্রগুলো কারা প্রশ্ন করে। এক পর্যায়ে প্রচণ্ড জোরে আমার কানে থাপ্পর মারে। কিছুক্ষণের জন্যে আমি বোধশক্তিহীন হয়ে পড়ি। বুঝতে পারছিলাম আমার কান দিয়ে রক্ত গড়িয়ে পড়ছে। তারপর স্টিলের পাত বসানো লাঠি দিয়ে পায়ে পেটাতে থাকে। যন্ত্রণা ও ব্যথায় সজ্ঞাহীন হয়ে পড়েছিলাম।’