প্রযুক্তি-প্রজন্ম গড়বে ‘মুজিব আমার পিতা’

37
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন রিপোর্ট:
বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকীতে ৩টি দ্বি-মাত্রিক চলচ্চিত্র (এনিমেশন ফিল্ম) তৈরি করছে আইসিটি বিভাগ। এর মধ্যে ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার লেখা অবলম্বনে নির্মিত গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব আমার পিতা’। এগিয়ে চলছে মুজিব থেকে বঙ্গবন্ধু হওয়ার মধ্যবর্তী সময়কে ‘মুজিব ভাই’ এবং ১০ পর্বে ১০০ মিনিটের একটি এনিমেশন সিরিজ ‘খোকা’ তৈরির কাজ।

এছাড়াও বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে অবস্থিত মিউজিয়ামে স্থাপন করা হয়েছে স্থায়ী একটি হল রুম। করোনা পরিস্থিত স্বাভাবিক হলে শিগগিরি এটি সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিধন্য জায়গা নিয়ে তৈরি করা হচ্ছে অগমেন্টেড ও ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কনটেন্ট।

আর এসব আয়োজনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও তার কন্যার অর্থনৈতিক মুক্তিকে টেকসই করতে তার দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বে প্রযুক্তি নির্ভর প্রজন্ম গড়ে তুলতে আইসিটি বিভাগ সাধ্যের সব প্রচেষ্টা করে চলছে বলে জানিয়েছেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদের আয়োজনে শুক্রবার রাতে ‘মুজিব আমার পিতা– বাংলাদেশে অ্যানিমেশন ফিল্মের নবদিগন্ত’ ওয়েব আড্ডায় এসব কথা জানান তিনি।

আর এই কাজে তরুণদের সম্পৃক্ত করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদকে অন্যান্য মন্ত্রণালয়কে অন্তর্ভূক্তির আহ্বান জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

জুনাইদ আহমেদ পলকের বিশ্বাস, সুস্থ্য চলচ্চিত্র, সুস্থ সমাজ গঠনে ‘মুজিব আমার পিতা’ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করবে।

চলচ্চিত্রটি বিশ্বমানের হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, আমাদের নাফিস ইকবাল কুংফু পান্ডা করে দুইবার অস্কার পেয়েছে। সোহেল রানার দলও অস্কার পাওয়ার যোগ্যতা রাখে। কিন্তু কুংফু পান্ডার মতো পারিপার্শ্বিকতা বা প্লাটফর্ম কে করে দিচ্ছে! ওইরকমভাবে যদি আমরা সরকার-বেসরকারি খাত থেকে সামর্থ মতো এগিয়ে আসলে আমাদের নতুন প্রজন্ম আর অন্ধকার জগতে ঢুকবে না।

আর এ ধরনের চলচ্চিত্র প্রদর্শনের জন্য হাইটেক পার্কগুলোতে আধুনিক সিনেপ্লেক্স স্থাপন করা হচ্ছে জানিয়ে এ বছরই রাজশাহীতে এর একটি উদ্বোধন করা হবে বলে জানান আইসিটি প্রতিমন্ত্রী।

তারজিনা সুলতানা আশার সঞ্চালনায় ‘মুজিব আমার পিতা’ গ্রাফিক নভেলের অ্যানিমেশন নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ‘প্রোলেন্সার স্টুডিও’ দলের নির্মাতার তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। এই আড্ডায় অংশ নেন এনিমেটর ও চলচ্চিত্রটির পরিচালক সোহেল মোহাম্মাদ রানা, শিল্পী মনিরা আলম এবং রফিউজ্জামান রিদম।

আলোচনায় অংশ নিয়ে দেশে এনিমেশন চলচ্চিত্র শিল্প বিকাশে আইসিটি বিভাগের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান সিআরআই’র সমন্বয়ক তন্ময় আহমেদ।