বিএনপি-জামায়াতের সময় রেলকে ধ্বংস করা হয়েছিল: রেলমন্ত্রী

20
Print Friendly, PDF & Email

ডিষ্ট্রিক্ট করসপন্ডেন্ট, ঠাকুরগাঁও:
রেলপথ মন্ত্রী এ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, বিএনপি-জামায়াতের সময় রেলকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল। বিএনপি-জামায়াত জোট যখন ক্ষমতায় এসেছিল, তখন রেলওয়ের ১০ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ছাঁটাই করেছে। রেলওয়েকে ধ্বংসের মধ্যে ফেলে দিয়েছিল।

সোমবার (২২ ফেব্রæয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁও রোড রেলস্টেশন উঁচুকরণ ও প্লাটফর্ম বর্ধিতকরণ প্রকল্পের উদ্বোধন করতে এসে প্রধান অতিথির ভাষণে এসব কথা বলেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।

রেলের দ্রুতগতি নিশ্চিত করতে যমুনা নদীর উপর বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় রেলসেতু নির্মাণ কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। এই সেতু দিয়ে মিটার গেইজ ও ব্রডগেইজ দুই ধরনের ট্রেন একই সাথে আসা যাওয়া করবে ১ শ’ ২০ কিলোমিটার বেগে, যা এখন মাত্র সর্বোচ্চ ২০ কিঃমিঃ বেগে শুধু যেতে বা আসতে পারে। আগামী ২৪ সালের মধ্যে বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় সেতুসহ পুরো উত্তরবঙ্গে ডাবল লাইন চালু হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি ঘোষণা করেন, রেলের এই উন্নয়নের মাধ্যমে ঠাকুরগাঁও থেকে বগুড়া হয়ে ঢাকা যাওয়া যাবে মাত্র ৫ থেকে ৬ ঘন্টায়।

বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক (পশ্চিমাঞ্চল) মিহির কান্তি গুহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, রেলওয়ের সচিব সেলিম রেজা, মহাপরিচালক ডিএন মজুমদার, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ড. কামরুজ্জামান সেলিম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাদেক কুরাইশী, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান অরুনাংশু দত্ত টিটো, পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র আঞ্জুমান আরা বেগম বন্যাসহ স্থানীয় উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।

রেলমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিকল্পনায় রেল ব্যবস্থা আধুনিকিকরণ ও আন্তর্জাতিকিকরণ প্রসঙ্গে বলেন, ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় হয়ে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনার বাস্তবায়ন শুরু হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, এই পথে বাংলাদেশ থেকে ট্রেন ভারতের নিউ জলপাইগুড়ি রেলস্টেশনে গিয়ে সরাসরি পৌঁছাবে। এছাড়াও রেল যোগাযোগে বিপ্লব আনবে কক্সবাজারের সাথে সারা দেশের নিরবিচ্ছিন্ন রেল যোগাযোগের মাধ্যমে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি পদ্মাসেতুর রেল সংযোগের কথা উল্লেখ করে বলেন, রেলের গতি ও সারাদেশের এমনকি আন্তর্জাতিক যোগাযোগের মাধ্যমে রেল যোগাযোগে নতুন যুগের সূচনা করা হবে। হয়তো এগুলি আমরা এতোদিনে সবি পেয়ে যেতাম যদি ১৯৭৫ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা না হতো।