ক্রীড়াক্ষেত্রে ‘শেখ কামাল পদক’ চালু করা হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

31
Print Friendly, PDF & Email

স্পোর্টস রিপোর্টার, ঢাকাঃ
বাংলাদেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ তনয় শেখ কামালের অবদান স্মরণে পদক চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি।

আজ সোমবার সকালে রাজধানীর আবাহনী ক্লাব প্রাঙ্গণে ‘শেখ কামাল: উদ্দীপ্ত তারুণ্যের দূত’ শীর্ষক সংবাদচিত্র প্রদর্শনী উদ্বোধনের পর তিনি একথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শেখ কামাল খেলাধুলায় শুধু পারদর্শীই ছিলেন না, ক্রীড়া সংগঠক হিসেবেও ছিলেন অনন্য। বাংলাদেশের ক্রীড়াক্ষেত্রের তাঁর অবদান ছিল অসামান্য। তাঁর এই অবদান স্মরণ করতে ‘শেখ কামাল পদক’ চালুর চিন্তা চলছে।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল বলেছেন, বহুমুখী প্রতিভার প্রাণোচ্ছল খোলামনের মানুষ ছিলেন শেখ কামাল। মহান মুক্তিযুদ্ধ, ছাত্ররাজনীতি, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, খেলার মাঠ থেকে নাটকের মঞ্চ-সর্বত্র ছিল তার দীপ্ত উপস্থিতি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকের বুলেট তার শারীরিক মৃত্যু ঘটিয়েছে কিন্তু তিনি মৃত্যুঞ্জয়ী হয়ে আছেন এ দেশের ক্রীড়ায়, সংস্কৃতিতে, সংগীতে। শেখ কামালই ছিলেন এ দেশের আধুনিক ক্রীড়াঙ্গনের রূপকার।

মুক্তিযোদ্ধা, ক্রীড়া সংগঠক ও আবাহনী ক্রীড়া চক্রের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ শেখ কামালের ৭১তম জন্মদিনে তাঁর সংক্ষিপ্ত কিন্তু কর্মময় জীবনের অর্ধশতাধিক আলোকচিত্র নিয়ে দিনব্যাপি এই প্রদর্শনীর আয়োজন করে জয়ীতা প্রকাশনী।

প্রদর্শনী উদ্বোধনের পর একটি স্মারক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। পরে তিনি আমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়ে প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ‘শেখ কামাল: উদ্দীপ্ত তারুণ্যের দূত’ স্মারক গ্রন্থটির সম্পাদক কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ চেয়ারম্যান চৌধুরী নাফিজ সরাফাত, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ক্রীড়া সম্পাদক ও আবাহনী ক্রীড়া চক্রের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন, স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের ম্যানেজার তানভীর মাজহার তান্না এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুব ও ক্রীড়া উপ-কমিটির সদস্য মোহাম্মদ ফায়সাল আহ্সান উল্লাহ্।

শেখ কামালের জন্ম ১৯৪৯ সালের ৫ আগস্ট তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে। শৈশব থেকে ফুটবল, ক্রিকেট, হকি, বাস্কেটবলসহ বিভিন্ন খেলাধুলায় উৎসাহী শেখ কামাল স্বাধীনতার পর আবির্ভূত হন ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে। তিনি উপমহাদেশের অন্যতম ক্রীড়া সংগঠন ও আধুনিক ফুটবলের অগ্রদূত আবাহনী ক্রীড়াচক্রের প্রতিষ্ঠাতা। বহুমুখী প্রতিভার প্রাণোচ্ছল খোলামনের মানুষ ছিলেন শেখ কামাল। মহান মুক্তিযুদ্ধ, ছাত্ররাজনীতি, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড, খেলার মাঠ থেকে নাটকের মঞ্চ সর্বত্রই ছিল তাঁর দীপ্ত উপস্থিতি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকের বুলেট তাঁর শারীরিক মৃত্যু ঘটিয়েছে কিন্তু তিনি মৃত্যুঞ্জয়ী হয়ে আছেন এ দেশের ক্রীড়ায়, সংস্কৃতিতে, সংগীতে।

শেখ কামালের দুর্লভ সব আলোকচিত্র সম্বলিত এই প্রদর্শনী বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন জেলায় করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান স্মারক গ্রন্থটির প্রকাশক ইয়াসিন কবীর জয়।