গোলাপ নয়, চকলেট দিয়ে বলুন ‘ভালোবাসি’

37
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট:
চলছে ভালবাসার সপ্তাহ। সে হিসেবে রোজ ডে ও প্রপোজ ডে’র পর ৯ ফেব্রুয়ারি হলো চকলেট ডে। চকলেট যেমন অভিমান ভাঙতে পারে, তেমনই পারে দেয়া-নেয়ার সম্পর্কও আরও মধুর করতে।

পশ্চিমা দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এখন বাংলাদেশের তরুণ-তরুণীরাও দিনটি আনন্দের সাথে উদযাপন করছেন। যদিও ঐতিহাসিকভাবে এ দিনটি পালনের কোনও প্রথার নির্ভরযোগ্য ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি, তবে ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহে ‘চকলেট ডে’ পালন একটু দুষ্টু-মিষ্টি ভালোবাসার খুনসুটির মতোই।

গুগলের মতে chocolate শব্দটি এসেছে স্প্যানিশ ভাষা থেকে। ধারণা করা হয়, নাহুয়াতি ভাষা, অর্থাৎ অ্যাজটেকদের ভাষার শব্দ chocolatal থেকে এসেছে chocolate শব্দটি। এই chocolatal এসেছে xocolatl থেকে। xococ এর অর্থ হলো তেতো বা টক এবং atl এর অর্থ হলো তরল বা পানীয়।

‘চকোলেট’ এর স্বাদ প্রথম পেয়েছিল লাতিন আমেরিকার মায়া সভ্যতা। নামটিও এসেছে তাদের ভাষার ‘স্কোকোলেট’ থেকে। যার অর্থ অম্ল পানীয়। কোকো গাছের বীজ থেকে প্রস্তুত এই চকোলেট গোড়ার দিকে মূলত পানীয় হিসাবেই ব্যবহার করা হত। সে আমলে আবার অনেকে তা রান্নার মশলা হিসাবেও ব্যবহার করতেন।

পরবর্তীকালে মায়াদের কাছ থেকে চকলেটের ব্যবহার শিখে নেয় অ্যাজটেকরা। তাদের আরাধ্য দেবতা কোয়েটজালকটলই নাকি এই কোকো গাছ পৃথিবীতে নিয়ে এসেছিলেন। আর এই গাছের ফল খেলে সাম্রাজ্য এবং ক্ষমতা দুই-ই জয় করা যায়। এমনই বিশ্বাস ছিল অ্যাজটেকদের। সেই কারণে ওই দেশে কোকো গাছকে দেবতাজ্ঞানে পুজো করা হয়। এমনকি দেবতাকে চকোলেট উৎসর্গ করারও নজির রয়েছে।