নির্বাচনে বিএনপির এজেন্ট ভোট কেন্দ্রে না গেলে দায়ভার কার, প্রশ্ন হানিফের

35
Print Friendly, PDF & Email

ডিষ্ট্রিক্ট করসপন্ডেন্ট, কুষ্টিয়া:
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেছেন, নির্বাচনে বিএনপির পোলিং এজেন্ট যদি ভোট কেন্দ্রে না যায় তার দায়ভার কি আওয়ামী লীগের, না নির্বাচন কমিশনের। তিনি আরও বলেন, তাদের পোলিং এজেন্ট যায় নাই, বিএনপিমনা ভোটাররাও যায় নাই, অনেকেই ভোট দিতে গেছেন। সেই দায়ভার কি আওয়ামী লীগের?

শনিবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে কুষ্টিয়ায় পিটিই সড়কে তার নিজ বাসভবনে জেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন হানিফ।

তিনি বলেন, শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য প্রশাসন সক্রিয় থাকবে এটাই স্বাভাবিক। বিএনপির কোনো সন্ত্রাসী, নাশকতা মামলার আসামি ভোটের অজুহাতে যদি মাঠে গিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করতে চায় সেক্ষেত্রে তো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নেবেই।

মাহবুবু-উল-আলম হানিফ জানান, ‘বিএনপি কি হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে তা তাদের নেতার কথা শুনলেই বোঝা যায়। প্রত্যেকটি নির্বাচনে তারা অংশ নিয়ে বলেন, যে তারা এই নির্বাচন কমিশনের স্বরুপ উন্মেচনের জন্য নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে।

নির্বাচনে অংশ নিয়েই নির্বাচিত হাওয়ার আগেই যদি বলেন, নির্বাচন কমিশনের স্বরুপ উন্মেচন করতে চায় সরকার। স্বরুপটি কি? বিএনপির মধ্যে সব সময় নির্বাচন কমিশনকে বির্তকিত করার জন্য, নির্বাচন ব্যবস্থাপনাকে বিতর্কিত করার জন্য তাদের যে একটা পরিকল্পনা চাই। সে পরিকল্পনা মাফিক তারা নির্বাচনে অংশ নেয় এবং নির্বাচনে ভোটের সময় তাদের কোনো এজেন্ট থাকে না, কোনো কর্মী থাকে না, ভোটও দিতে আসে না।

বিএনপি নির্বাচন ব্যবস্থাপনাকে প্রশ্ন প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য পরিকল্পিতভাবে এ ধরনের নির্বাচনী প্রহসন করে যাচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, তারা সব দায়ভার চাপাচ্ছে সরকারের ওপর। নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু ছিল, বিএনপি নেতারা তারা নির্বাচন পরিচালনা করেছে নির্বিঘ্নে। নির্বাচনের দিনে যদি তাদের কোনো পোলিং এজেন্ট না থাকে, সেই দায়ভার কি আওয়ামী লীগ দেবে, না নির্বাচন কমিশন নেবে।

নির্বাচনে প্রশাসন নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করেছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, কাউন্সিলরদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে, আওয়ামী লীগের দলীয় কাউন্সিলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সেখানে আওয়ামী লীগের দলীয় কাউন্সিলর তাকে তো তাকে ক্ষমা করা হয়নি। তাকেও ঢোকানো হয়েছে মামলায়। আইনশৃঙ্খরা রক্ষার জন্য যেখানে যতটুকু ব্যবস্থা নেওয়ার দরকার সরকার তা নিয়েছে।