যুক্তরাষ্ট্রের পরে ইতালিতেও সৌদি আরব ও আমিরাতের কাছে অস্ত্র বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা

9
Print Friendly, PDF & Email

ইন্টারন্যাশনাল নিউজ ডেস্ক:
ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন কথিত আরব জোটের আগ্রাসনের কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদি আরবের কাছে অস্ত্র বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে ইতালি সরকার। ইতালির সরকারের এই উদ্যোগকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যায়িত করে ইউরোপীয় দেশগুলোর জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির বলে মন্তব্য করেছে।

ইতালীর পররাষ্ট্রমন্ত্রী লুইজি ডি মাইও গতকাল (শুক্রবার) স্থায়ীভাবে অস্ত্র বিক্রির নিষিদ্ধ করার কথা ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি মানবাধিকার রক্ষা এবং ইয়েমেনে রক্তপাত বন্ধের বিষয়ে রোমের প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করেন।

লুইজি ডি মাইও বলেন, “এটি এমন একটি পদক্ষেপ যাকে আমরা খুবই জরুরি বলে মনে করেছি এবং আমাদের দেশের পক্ষ থেকে শান্তি প্রতিষ্ঠার বার্তা দিয়েছি।” তিনি আরো বলেন, মানবাধিকার রক্ষার ব্যাপারে ইতালি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

ইতালির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মানলিও ডি স্টেফানো দেশটির একটি পত্রিকাকে জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত গত সপ্তাহে নেয়া হয়েছে এবং এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী জিজেপে কন্তের পক্ষ থেকে সবুজ সংকেত ছিল।

ইতালির নেটওয়ার্ক ফর পিস অ্যান্ড ডিজআর্মামেন্টের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে- সরকারের এই সিদ্ধান্তের কারণে সৌদি আরবের কাছে ১২ হাজার ৭০০ ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রি আটকে গেল। ২০১৬ সালে সৌদি আরবের সাথে ৪০ কোটি ইউরোর ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির যুক্তি ছিল যার আওতায় রিয়াদকে ২০ হাজার ক্ষেপণাস্ত্র দেয়ার কথা ছিল।

ক্যাম্পেইন এগেইনেস্ট দ্যা আর্মস ট্রেড-এর নেতা অ্যান্ড্রু স্মিথ অনলাইন পত্রিকা মিডিলিস্ট আই-কে বলেন, ইতালির এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দৃষ্টান্ত। এখন ব্রিটেনসহ ইউরোপের অন্য দেশগুলোর পক্ষ থেকে একই ধরনের পদক্ষেপ নেয়া উচিত।