স্থায়ীভাবে বাতিল হলো অনন্য মামুনের সদস্যপদ

14
Print Friendly, PDF & Email

কালচারাল ডেস্কঃ
আজীবনের জন্য অনন্য মামুনের সদস্যপদ বাতিল করেছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি। ফলে চলচ্চিত্র পরিচালকদের সংগঠনটির সঙ্গে এই নির্মাতার আর কোনো সম্পর্ক থাকছে না।

শনিবার (১৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) পরিচালক সমিতির দ্বিবার্ষিক কার্যনির্বাহী বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়।

মামুনের বিরুদ্ধে সমিতির সুনাম ক্ষুণ্ণ করার অভিযোগের ভিত্তিতে সকল সদস্যদের সম্মতিক্রমে তার সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন।  

সম্প্রতি ‘নবাব এলএলবি’ সিনেমায় পুলিশকে নিয়ে অশালীন সংলাপ দেওয়ার অভিযোগে পর্নোগ্রাফি আইনে করা মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন সিনেমাটির পরিচালক অনন্য মামুনসহ দু’জন। তবে গত ১১ জানুয়ারি  ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তাদের জামিন দেন।

এদিকে সদস্যপদ বাতিল করা প্রসঙ্গে ফেসবুকে অনন্য মামুন লেখেন, পরিচালক সমিতির সদস্যপদ না থাকলে সিনেমা বানাতে পারবো না- কথাটি সত্য নয়। সমিতির সদস্য পদ না থাকলে আমি সংগঠনটির সুযোগ-সুবিধা পাবো না।  মোহাম্মদ জে…. নামের একজন পরিচালক আছেন যিনি ব্যক্তিগতভাবে আমাকে সহ্য করতে পারেন না। কারণ তার সিনেমাগুলো আমার কাছে অখাদ্য মনে হয়। আর ২০১৬ সালে ‘অস্তিত্ব’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান নুসরাত ইমরোজ তিশা এবং ২০১৯ সালে তারিক আনাম খান একই পুরস্কার পান ‘আবার বসন্ত’ সিনেমার জন্য। ছবিগুলো আমার পরিচালনায় নির্মিত।

তিনি জানান, ‘নবাব এলএলবি’ সিনেমাতেও অনেক পুরস্কার আসবে। এছাড়া চলতি বছর অনন্য মামুন আরও ৫টি নতুন সিনেমা বানাবে।

২০১৫ সালের ২৬ ডিসেম্বর পরিচালক সমিতির এক জরুরি বৈঠকের মাধ্যমে প্রথম সদস্যপদ বাতিল করা হয় অনন্য মামুনের। তখন তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যৌথ-প্রযোজনার নামে প্রতারণা এবং জাল সার্টিফিকেট দিয়ে পরিচালক সমিতির সদস্যপদ নেওয়া। এরপর অঙ্গীকারনামা দিয়ে সেই সদস্যপদ ফিরে পান মামুন।  

এরপর ২০১৭ সালে মালয়েশিয়ায় আদম পাচারের অভিযোগে পরিচালক অনন্য মামুনের সদস্যপদ আজীবন নিষিদ্ধ করেছিল বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি। এবার তৃতীয়বারের মতো তাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।