পিছিয়ে গেলো সাঈদ খোকনের মামলার আদেশ

12
Print Friendly, PDF & Email

সিনিয়র করসপন্ডেন্ট, ঢাকাঃ
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের বিরুদ্ধে মানহানির বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে সাবেক মেয়র সাঈদ খোকনের বিরুদ্ধে হওয়া দুই মামলার আদেশের দিন পিছিয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী এ মামলার আদেশের জন্য দিন ঠিক করেছিলেন। তবে এদিন সকালে আদালত সূত্রে জানা যায়, আদেশের দিন পিছিয়ে ১৯ জানুয়ারি রাখা হয়েছে।

সোমবার সকালে মানহানির অভিযোগে একই আদালতে এ দু’টি মামলার আবেদন করেন কাজী আনিসুর রহমান ও অপর সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সারওয়ার আলম। বিচারক বাদীর জবানবন্দি নেওয়ার পর মামলা দু’টি আদেশের জন্য রাখেন।

মামলার আর্জিতে বলা হয়, ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসকে নিছক হয়রানিসহ মানসম্মান ক্ষুণ্ন করে দেশ ও সমাজে হেয় প্রতিপন্ন এবং রাজনৈতিক জয়প্রিয়তাকে নস্যাৎ করার উদ্দেশ্যে গত ৯ জানুয়ারি হাইকোর্ট এলাকার কদম ফোয়ারার সামনে ফুলবাড়িয়া মার্কেট উচ্ছেদ হওয়া ব্যবসায়ীদের মানববন্ধনে অংশ নেন সাঈদ খোকন।

মানববন্ধনে সাঈদ খোকন বলেন, ‘তাপস ডিএসসিসি মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে গলাবাজি করে চলেছেন। আমি তাকে বলবো, রাঘববোয়ালের মুখে চুনোপুঁটির গল্প মানায় না। কেননা দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়তে হলে সর্বপ্রথম তার নিজেকে দুর্নীতিমুক্ত করতে হবে। অথচ তিনি উল্টো কাজ করছেন। তিনি বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর তাপস ডিএসসিসির শত শত কোটি টাকা তার নিজ মালিকানাধীন মধুমতি ব্যাংকে স্থানান্তর করেছেন।

তার এ বক্তব্য বাংলাদেশের জাতীয় পত্রিকা, ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এতে ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের বিরুদ্ধে মানহানিকর বক্তব্য প্রকাশ করে আসামি সাঈদ খোকন দণ্ডবিধি আইনের ৫০০ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

ন্যায়বিচারের স্বার্থে আসামির বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়।