অ্যামাজন-অ্যাপল-ফেসবুক-গুগলের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ!

14
Print Friendly, PDF & Email

ইন্টারন্যাশনাল নিউজ ডেস্কঃ
অ্যামাজন, অ্যাপল, ফেসবুক ও গুগল তাদের একচ্ছত্র ক্ষমতার অপব্যবহার করছে। এই কোম্পানিগুলোকে ভেঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। এই দাবি উঠেছে যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাট আইন প্রণেতাদের পক্ষ থেকে। তারা দেশটির অর্ধশতাব্দী পুরোনো অ্যান্টিট্রাস্ট আইনটিরও সংশোধন চেয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি সভার বিচারিক কমিটির ডেমোক্র্যাট নেতারা ও আইন প্রণেতারা প্রতিনিধি সভায় একটি ৪৪৯ পৃষ্ঠার রিপোর্ট জমা দিয়ে বলেছেন, এই চারটি কোম্পানি অগোছালো একেকটা স্টার্ট আপ হয়ে শুরু করে এখন একচেটে ক্ষমতার অধিকারী হয়ে গেছে।

আইন প্রণেতারা বলছেন, একটা সময় তেলের ব্যারন আর রেলের টাইকুনরা ঠিক যেমনটি ছিলো, এই অ্যামাজন, অ্যাপল, ফেসবুক ও গুগলের মালিকেরা আজ তাদেরও ছাড়িয়ে গেছে।

কোম্পানিগুলো তাদের কর্তৃত্বময় অবস্থানের অপব্যবহার করে, যখন যা মন চায় মূল্য নির্ধারণ করছে, নিজেদের বানিজ্যের রীতি-পদ্ধতি নিজেরাই বানাচ্ছে ও বদলাচ্ছে। সার্চ, বিজ্ঞাপন, সামাজিক নেটওয়ার্কিং, প্রচার-প্রকাশে তারা নিজেদের ইচ্ছামাফিক প্রক্রিয়া ও দর নির্ধারণ করছে।

প্রতিবেদনটি বানাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি সভার সদস্যরা ১৬ মাস ধরে কাজ করেছেন। এই সময়ে তারা বিশ্বের এই চার টেকনোলজি জায়ান্টের কাজ-কর্মের পুঙ্খানুপুঙ্খু অনুসন্ধান করেছেন। পরে রিপোর্টটি উত্থাপন করেন মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর)। এতে বলা হয়, তারা নিশ্চিত করেই জেনেছেন অ্যামাজন, অ্যাপল, ফেসবুক ও গুগল তাদের কর্তৃত্বময় ক্ষমতার চরম অপব্যবহার করে চলেছে।

আইন প্রণেতারা এ কোম্পানিগুলোকে ভেঙ্গে দিয়ে একটি প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ সৃষ্টিরও সুপারিশ করেন ও দেশটির অর্ধশতাব্দী পুরোনো অ্যান্টিট্রাস্ট আইনের সংশোধনী চান। ১৯৭৬ সালে গৃহীত এই আইনের সুযোগ নিয়ে ছোট ছোট কোম্পানিগুলোকে মার্জারের নামে নিজের পেটে ঢুকিয়ে নিজেকে একেকটি মহীরুহে পরিণত করেছে এই অ্যামাজন, অ্যাপল, ফেসবুক ও গুগল।