আমেরিকা, ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়া মহাদেশে ইমিগ্রেশন, জেনে নিন বিস্তারিত

অনলাইন ডেস্ক

5
Print Friendly, PDF & Email

আপনি কি কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা, নিউজিল্যান্ড, ইউরোপ ও যুক্তরাজ্যে ভ্রমণ, ব্যবসায়িক কাজ অথবা স্টুডেন্ট ভিসায় যাওয়ার কথা ভাবছেন? তাহলে পৃথিবীর এই উন্নত দেশগুলোতে যেকোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা বা বয়সের হলেও ভ্রমণ কিংবা ‌‘বিজনেস ভিজিট’ ভিসায় সহজেই সেখানে যাওয়ার ভিসা পেতে পারেন। এ ছাড়া উন্নত বিশ্বে লেখাপড়া করে নিজের ভবিষ্যৎ করতে পারেন সুনিশ্চিত। এ ছাড়া আপনি অভিবাসী হয়ে যেতে চাইলে আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়স, আর্থিক সামর্থ্যের মাপকাঠিতে নির্ধারণ হবে আপনার স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু?

এ বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন আন্তর্জাতিক অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি জানান, আপনি আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এবং কিছু পদ্ধতি ও আইন মেনে আবেদন করে পরিবারসহ পৃথিবীর অনেক দেশেই স্থায়ীভাবে বসবাস করার সুযোগ নিতে পারেন।

পড়াশোনা করুন বিশ্বের শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে

অনেকে বিদেশে পড়াশোনা করতে চান শুধু বিদেশি নাগরিকত্ব ও ভালো একটি চাকরির প্রত্যাশায়।

এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আপনি আমাদের কাছে অভিবাসন-সংক্রান্ত আইনি পরামর্শ ও সহযোগিতার জন্য আসতে পারেন। আপনার যোগ্যতা ও পছন্দ অনুযায়ী আমরা বিশ্বের যেকোনো দেশে ওয়ার্ল্ড র‍্যাংকিংয়ে থাকা কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির ব্যবস্থা করতে পারব।’

সাধারণত বাংলাদেশি ছেলেমেয়েদের কাছে কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ইউকে, আমেরিকা, মাল্টা, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, জার্মানির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোই থাকে পছন্দের শীর্ষে। ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিকেল, বিজনেস, আইটি, আইন ইত্যাদি যেকোনো বিষয়ে পড়াশোনা করতে পারেন। এ ছাড়া আপনি জার্মানি কিংবা ইউকে গিয়ে জার্মান কিংবা ইংরেজি ভাষা শিখতে পারেন বিশেষ ভিসায়।

শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আপনার সুবিধার্থে আমরা আপনার ভিসা আবেদনপত্র জমা দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের অভিবাসন আইন অনুযায়ী আপনার সব কাগজপত্র তৈরি করাসহ আপনার ফাইল ভিসা সাবমিশনের জন্য প্রস্তুত করে দিতে পারি। স্টুডেন্ট ভিসা-সংক্রান্ত একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইনের জন্য আপনি নিশ্চিন্তে আসতে পারেন আমাদের কাছে।’

সাবক্লাস৪৮২’ প্রোগ্রামের অধীনে অস্ট্রেলিয়ায় কাজ  বসবাস করার সুযোগ

অস্ট্রেলিয়ায় বৈধভাবে কাজ করার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত প্রোগ্রাম ‘সাব-ক্লাস-৪৮২’। এই ভিসার ক্ষেত্রে ভিসাপ্রার্থীকে অবশ্যই টিএসএস ভিসার পেশা তালিকার জন্য একটি অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক মনোনীত হতে হবে। এই ভিসার জন্য আইইএলটিএসে প্রতিটি ব্যান্ডে ৫ বা সমমানের ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা থাকতে হবে। এই প্রোগ্রামের অধীনে যারা অস্ট্রেলিয়ায় যাবে, তারা পরে ‘সাব-ক্লাস-৪৯১’-এর অধীনে স্থায়ী হওয়ার সুযোগ পেতে যাচ্ছে।

‘সাব-ক্লাস-৪৮২’ সম্পর্কে অ্যাডভোকেট শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘মূলত ডিগ্রি পাসধারী দক্ষ ও অভিজ্ঞ বাংলাদেশিদের জন্য এটা বিরাট সুযোগ। বাংলাদেশিরা যদি প্রথম থেকেই দ্রুত ও দক্ষতার সঙ্গে ফাইল প্রসেস করে, তবে স্বল্প সময়ে এই ভিসা পাওয়া নিশ্চিত।’

তিনি আরো বলেন, ‘যেহেতু অস্ট্রেলিয়ার ডিমান্ড লিস্টে ৪৩২টি পেশা রয়েছে, সুতরাং অনেকেই বিভিন্ন সাব-ক্লাসে আবেদন করে পরিবারসহ অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাস করার সুযোগটি নিতে পারেন। যেমন : এমপ্লয়ার স্পন্সরশিপ, এমপ্লয়ার নমিনেশন স্কিম (১৮৬),  স্কিল্ড ইনডিপেনডেন্ট ভিসা ১৮৯, ১৯০, স্কিল্ড রিজিওনাল ভিসা (সাব-ক্লাস ৪৮৯), রিজিওনাল স্পন্সরড মাইগ্রেশন স্কিম (১৮৭)।’

এ ক্ষেত্রে সবাইকে প্রতারকদের হাত থেকে সাবধানে চলার জন্য তিনি উপদেশ দেন।

তিনি বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া মাইগ্রেশনের একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে স্থায়ীভাবে বসবাসের ভিসা নিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে আপনার সন্তানরা কিন্তু প্রতি মাসে সোশ্যাল বেনিফিট পাওয়া শুরু করবে। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দেশটির বিনামূল্যের স্বাস্থ্যসেবা পরিবারের সব সদস্যের জন্য।

এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়ায় ৫০০টিরও বেশি ক্যাটাগরিতে জব অফার নিয়ে আবেদন করার সুযোগ তো রয়েছেই।’

স্কিল্ড মাইগ্র্যান্ট প্রোগ্রামে স্থায়ী হতে পারেন নিউজিল্যান্ড

নির্দিষ্ট সময় পর পর স্কিলড মাইগ্রেশন ক্যাটাগরিতে ড্র অনুষ্ঠিত হয়। বছরে প্রায় কয়েক হাজার পরিবার এ প্রোগ্রামের আওতায় নিউজিল্যান্ডের স্থায়ী নাগরিকত্ব (পিআর) পেয়ে থাকেন। এই ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশিরাও নিউজিল্যান্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ নিতে পারেন।

স্কিলড মাইগ্রেশন ক্যাটাগরি সম্পর্কে ও এই আবেদনের শিক্ষাগত ও অন্যান্য যোগ্যতা সম্পর্কে জানানো হয় নিউজিল্যান্ডের সরকারি ওয়েবসাইটে। এ ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ আইনজীবীর সহায়তা গ্রহণ করতে পারেন। নিউজিল্যান্ডে সম্ভাব্য পেশার মধ্যে রয়েছে জেনারেল প্র্যাকটিশনার, প্যাথলজিস্ট, সাইকোথেরাপিস্ট, সনোগ্রাফারসহ আরো কিছু খাত। নিউজিল্যান্ড সরকারের ওয়েবসাইটে দেশটিতে চাহিদা থাকা বিভিন্ন পেশার কথা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া স্টুডেন্ট ভিসা নিয়েও পড়াশোনা করতে পারেন দেশটিতে।

বাংলাদেশের যে কয়েকজন অভিবাসন আইনজীবী অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম  আন্তর্জাতিক অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ। নিজের যোগ্যতা যাচাই করার জন্য অ্যাডভোকেট শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে দেখা করতে তাঁর খান টাওয়ার, ৫১ সোনারগাঁ জনপথ, সেক্টর ৭, উত্তরা, ঢাকায় অবস্থিত তার অফিস ভিজিট করতে পারেন অথবা তথ্যর জন্য ভিজিট করতে পারেন Worldwide Migration Consultants Ltd এর  www.wwbmc.com ওয়েবসাইটটিতে অথবা কানাডিয়ান ইমিগ্রেশন বিষয়ে আপনার যেকোনো জিজ্ঞাসার উত্তর পেতে  ই-মেইল করুন:   [email protected] ই-মেইল করে  নিজের প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করলে  ফ্রি অ্যাসেসমেন্ট রেজাল্টও পেতে পারেন অতি সহজে। ফোনে প্রাথমিক তথ্যের জন্য কথা বলতে পারেন : ০১৯০৪০৩৬৮৯৮,   ০১৯৮৭৭১৪২৯০,  ০১৯০৪০৩৬৮৯৯, ০১৯০৯-০৮৩৯৬৩, ০১৯০৯-০৮৩৯৬২, ০১৭৮৫৭০০৭৫৮ নম্বরে।