বন্দুকযুদ্ধের কথা শুনেই আলহামদুলিল্লাহ বলেছি: মিন্নি

22
Print Friendly, PDF & Email

নিউজবি২৪ অনলাইন রিপোর্টঃ
বন্দুকযুদ্ধে নয়ন বন্ডের নিহত হওয়ার খবর পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন চোখের সামনে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার শিকার রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি।

তিনি বলেছেন, মঙ্গলবার (২ জুলাই) সকালে যখন বাবা তাড়াহুড়া করে এসে বললো- নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছে, এটা শুনেই আলহামদুলিল্লাহ বলেছি। বিচারের জন্য আমাকে অপেক্ষা করতে হল না।

রিফাত হত্যা মামলার প্রধান আসামি নয়নের বন্দুকযুদ্ধের নিহত হওয়ার পর এভাবেই নিজের প্রতিক্রিয়া জানান মিন্নি।

মিন্নি বলেন, আমার চোখের সামনে যারা আমার স্বামীকে কুপিয়ে মেরেছে, তাদের অন্যতম একজন নয়ন বন্ড বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। আমি এতে অনেক খুশি হয়েছি।

তিনি আরো বলেন, সরাসরি যারা অংশগ্রহণ করে যারা আমার স্বামীকে কুপিয়ে মেরেছে, তাদেরও আমি এমন শাস্তি চাই। প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ, তিনি আমাদের জন্য ন্যায় বিচারের ব্যবস্থা করেছেন।

মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন বলেন, শুরু থেকেই আমরা প্রশাসনের সহযোগিতা পাচ্ছিলাম। নয়ন বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছে, এতে আমার সদ্য বিধবা হওয়া মেয়ে যেমন শান্তি পেয়েছে; ঠিক তেমনই আমার জামাই রিফাত, সেও কবর থেকে শান্তি পাবে।

‘এ ঘটনায় বাকি যেসব আসামি পলাতক রয়েছে তাদেরকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিতে পারলেই আমরা সবাই ন্যায় বিচার পাব।’

প্রসঙ্গত, ভোরে বরগুনায় প্রকাশ্যে স্ত্রী মিন্নির সামনে স্বামী শাহ নেওয়াজ রিফাত শরীফকে (২৫) কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ঘাতক নয়ন বন্ড (২৫) পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন।

সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বরগুনার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন। বরগুনার বুড়ির চর ইউনিয়নে নয়নের সঙ্গে পুলিশের এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

এসপি জানান, রিফাত হত্যাসহ ১১ মামলার আসামি নয়নকে গ্রেফতারে বুড়ির চরে অভিযানে গেলে পুলিশের ওপর গুলি চালান নয়ন বন্ড। এ সময় পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। গুলি বিনিময়ের এক পর্যায়ে নয়ন বন্ডের গুলিবিদ্ধ মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি, শর্টগানের দু’টি গুলির খোসা এবং দেশীয় তিনটি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তিনজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।