শিশু তুহিন হত্যা মামলায় বাবা ও চাচার মৃত্যুদন্ড

10
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ করসপন্ডেন্ট:
পারিবারিক বিরোধে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় শিশু তুহিনকে নৃসংশভাবে হত্যা করে লাশ গাছে ঝুলিয়ে রাখার ঘটনায় তার বাবা ও চাচাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

সোমবার জেলা ও দায়রা জজ ওয়াহিদুজ্জামান শিকদার এক বছর আগের চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডিত দুই আসামি- তুহিনের বাবা আব্দুল বাছির ও চাচা নাছির উদ্দিন রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন।      

এছড়া অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় বিচারক এ মামলা থেকে তুহিনের আরও দুই চাচাকে খালাস দিয়েছেন বলে আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শাহানা রব্বানী জানান। এরা হলেন- আবদুল মোছাব্বির ও জমসেদ আলী।

মামলার বিবরণে বলা হয়, গত ১৩ অক্টোবর দিরাই উপজেলার কেজাউড়া গ্রামের কৃষক আব্দুল বাসিরের ছেলে তুহিন মিয়ার (৫) ঝুলন্ত লাশ মেলে বাড়ির কাছের একটি গাছে। তার পেটে দুটি ছুরি গাঁথা ছিল; কান ও লিঙ্গ কেটে বিচ্ছিন্ন করা ছিল।

এ ঘটনায় তুহিনের মা মনিরা বেগম অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন।

পরে পুলিশ এ ঘটনায় তুহিনের বাবা আব্দুল বাসির, চাচা জমশেদ আলী, মোছাব্বির আলী, নাছির উদ্দিন ও এক চাচাত ভাইকে গ্রেপ্তার করে। তুহিনের চাচাতো ভাই আদালতে জবানবন্দিও দেয়।

তদন্ত শেষে পুলিশ ৩০ ডিসেম্বর তাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিলে এ মামলার বিচারকাজ শুরু হয়। 

এর আগে ১০ মার্চ তুহন হত্যা মামলার আসামি তার ১৭ বছরের কিশোর চাচাতো ভাইকে আট বছরের আটকাদেশ দেয় আদালত।