বিদেশ থেকে আসলেই কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

10
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ করসপন্ডেন্ট, ঢাকা:
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, বিদেশ থেকে আসলে তাদের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। তাদের নিজ উদ্যোগে ১৪ দিনের জন্য হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দিচ্ছি, অনুরোধ জানাচ্ছি। যারা বিদেশে আছেন তারা দেশে না আসলে বেশি ভালো হয়। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ পুরোপুরি মেনে চলছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

দেশে নতুন করে কেউ করোনায় আক্রান্ত হয়নি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, যে তিন জনের দেহে করোনা পাওয়া গিয়েছিল তাদের মধ্যে দুই জন এখন সম্পূর্ণ সুস্থ। সর্বশেষ পরীক্ষায়ও তাদের দেহে কোনও ভাইরাস পাওয়া যায়নি। শিগগিরই তাদের ছেড়ে দেয়া হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেওয়া নির্দেশনা সম্পর্কে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ডব্লিউএইচও’র সব নির্দেশনা ফলো করা হচ্ছে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে সেই মতে, হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে।’

থার্মাল স্ক্যানারের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সামিট গ্রুপ ৫টি থার্মাল স্ক্যানার দিয়েছে। এই সময়ে এটাই সবচেয়ে বড় দরকার ছিল। তাদের পাঁচটিসহ এখন সব মিলিয়ে ১০টি স্ক্যানার আছে আমাদের। এগুলো বিভিন্ন বন্দরে পাঠানো হচ্ছে।

এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ডাক্তারের সংখ্যা ছিল ১০ জন, এখন ৩০ জন। ডেস্ক ছিল দুটি। এখন চারটা। কাজেই জনবল স্বল্পতার অভিযোগ করা সমীচীন হবে না। তবে এরপরও সংশ্লিষ্ট বিভাগ কাজ করছে।’

তিনি বলেন, ‘বিশ্বের অনেক দেশে করোনা মহামারী রূপ নিচ্ছে। কিন্তু সে তুলনায় বাংলাদেশ অনেক নিরাপদ রয়েছে এখনও। দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বড় বড় কারখানায় যে বিপুল পরিমাণ শ্রমিক কাজ করে তাদের বিষয়েও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ভাবছে।

হ্যান্ড স্যানিটেশন সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় নিয়ে বৈঠক করে স্ব স্ব মন্ত্রণালয় ও সংস্থাকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন কোম্পানির হ্যান্ড স্যানিটারাইজের দাম নির্ধারিত করে দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষ এখন অনেক সচেতন। বিদেশ থেকে কেউ আসলে তারা, তাদের আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশীরাও আমাদের হটলাইনে ফোন করে পরামর্শ চাচ্ছেন।’