নগরীর অপরিকল্পিত আবাসনে বাড়ছে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি

15
Print Friendly, PDF & Email

সিনিয়র করসপন্ডেন্ট, ঢাকা:
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রভাবশালীদের দৌরাত্ম্যে নষ্ট হচ্ছে প্রাকৃতিক পানির উৎস। অপরিকল্পিত আবাসনে বাড়ছে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি। বার বার অগ্নিকাণ্ডের পরও নানা ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ফায়ার সার্ভিস বা সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সুপারিশ আমলে নেয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ তাদের।

রাজধানীর একটি বস্তিতে আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের বেশ কয়েকটি ইউনিট। ক্ষয়ক্ষতি আর হতাহতের আশঙ্কা। সংবাদ মাধ্যমের এমন শিরোনামের সঙ্গে এখন যেন অভ্যস্ত সবাই। একের পর এক আগুন এরপর তদন্ত কমিটি যদিও এসব কমিটির রিপোর্ট প্রকাশ পায় অনেকটা গোপনেই। গেলো সাত মাসে মিরপুরেই তিনটি বস্তিতে আগুন লাগলেও তদন্ত রিপোর্ট আলোর মুখ দেখেনি এখনো।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অপরিকল্পিত এসব বস্তি আর প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণ এই ঝুঁকিপূর্ণ বস্তিগুলো বরাবরই রাজধানীবাসীর জন্য বিষফোঁড়া। তাছাড়া নগরে পানির প্রাকৃতিক উৎস ধ্বংস হওয়ায় এসব অগ্নিকাণ্ডের ক্ষয়ক্ষতি আরো বাড়ছে বলেই মনে করেন তারা।

একজন বলেন, রাজউক থেকে একটি আইন করা দরকার। যেখানে প্রত্যেক বাড়িতে কমপক্ষে ৩ দিনের রির্জাভ পানি থাকবে। যাতে আশপাশে কোন দুর্ঘটনা ঘটলে যেনো সেই পানি ব্যবহার করা যায়।

এর আগে বিশেষজ্ঞ, নগর-পরিকল্পনাবিদ বা ফায়ার সার্ভিসের দেয়া পরামর্শ কেউই আমলে নেয়নি বলেই বারবার এমন ঘটছে বলেই মত তাদের।

এক বিশেষজ্ঞ বলেন, গোপন করা সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হচ্ছে তদন্ত। কারণ বাংলাদেশের জন্মের পর থেকে আজ পর্যন্ত কোনো তদন্তই আলোর মুখ দেখেনি। এবং কোনো তদন্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

সমস্যা সমাধানে বস্তিগুলোকে একটি পরিকল্পনার আওতায় আনার পরামর্শ তাদের।