বিমানবন্দরের ৩টি থার্মাল স্ক্যানারই বিকল, করোনা শনাক্তে অচলাবস্থা

13
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ করসপন্ডেন্ট, ঢাকা:
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তিনটি থার্মাল স্ক্যানারই বিকল। এর মধ্যে আগে থেকেই বিকল ছিল দু’টি। সচল থাকা তৃতীয় স্ক্যানারটিও সোমবার রাতে বিকল হয়ে যায়। এতে দেশের বাইরে থাকা আসা যাত্রীদের দেহে করোনাভাইরাস রয়েছে কিনা তা নির্ণয় করা সম্ভব হচ্ছে না।

থার্মাল স্ক্যানার বিকল হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ এইচ এম তৌহিদ-উল-আহসান বলেন, সিঙ্গাপুর-থাইল্যান্ডসহ ছয় দেশ থেকে বাংলাদেশে আসা যাত্রীদের শরীরে এ ভাইরাসের কোনো লক্ষণ পাওয়া গেলেই তাদের কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে- এমন নির্দেশনার পর শাহজালালে যাত্রীদের ভিড় বেড়ে গেছে। সোমবার রাতে ভিড়ের চাপে থার্মাল স্ক্যানারটি ভেঙে যায়।

তিনি জানান, স্বাস্থ্য অধিদফতরকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। থার্মাল স্ক্যানারটি সচল করার কাজ চলছে।

বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে করোনা ভাইরাস। এতে আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক লক্ষণ জ্বর। থার্মাল স্ক্যানারের মাধ্যমে কোনো স্পর্শ ছাড়াই মানুষের শরীরের তাপমাত্রা নির্ণয় করা যায়। বিশ্বের প্রায় সব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এখন এই স্ক্যানার বসানো হয়েছে। থার্মাল স্ক্যানারে কোনো ব্যক্তির শরীরের তাপমাত্রা বেশি ধরা পড়লে পরবর্তীতে আরও পরীক্ষার মাধ্যমে পরীক্ষা করে দেখা হয় সেই ব্যক্তি কোন ভাইরাসে আক্রান্ত।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গড়ে প্রতিদিন ২০ হাজার যাত্রী যাতায়াত করেন। ইবোলা সংক্রমণ শুরু হলে ২০১৪ সালে তিনটি থার্মাল স্ক্যানার মেশিন বসানো হয়। তিনটি মেশিনের মধ্য একটি ভিআইপি জোনে, বাকি দু’টি সাধারণ যাত্রীদের জন্য। কিন্তু তিনটি স্ক্যানারই বিকল থাকায় বিদেশ থেকে আসা যাত্রীরা করোনা ভাইরাস বহন করছেন কিনা তা নির্ণয়ে তৈরি হয়েছে অচলাবস্থা।

চীনে করোনা ভাইরাস মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ার পর ২০ ডিসেম্বর থেকে শাহজালাল বিমানবন্দরে থার্মাল স্ক্যানারগুলো বাসনো হয়।