প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণায় অনিশ্চয়তার দোলাচলে এশিয়া-বিশ্ব একাদশ ম্যাচ!

10
Print Friendly, PDF & Email

স্পোর্টস ডেস্ক রিপোর্ট:
বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বেশ কয়েকটি কর্মসূচি স্থগিত করেছে সরকার। পরবর্তী নির্দেশনা আসা না পর্যন্ত কোনো অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে না। প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস বাংলাদেশে হানা দেয়ার পর এমনই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে। ফলে আরও ক্ষীণ হয়ে এসেছে বিশ্ব একাদশ এবং এশিয়া একাদশের ম্যাচ দুটির সম্ভাবনা।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ মুজিববর্ষ ঘোষণা করে সরকার। আগামী ১৭ মার্চ মুজিববর্ষের উদ্বোধণী অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। 

এশিয়া এবং বিশ্ব একাদশের ম্যাচ মাঠে গড়ানোর আগে ১৮ই মার্চ একটি অনুষ্ঠানও আয়োজন করা ভেবেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে রবিবার প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস ছোবল দেয় বাংলাদেশেও। দেশের ক্রীড়াঙ্গনেও যার প্রভাব পড়েছে।

মুজিববর্ষ উপলক্ষ ১৭, ২৫ এবং ২৬ মার্চের অনুষ্ঠান স্থগিত নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘দেশ এবং দেশবাসীর স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করা আমাদের দায়িত্ব এবং কর্তব্য। আমরা তাই কয়েকটি অনুষ্ঠান বাতিল করছি। পরবর্তী ঘোষণা দিলে সে সকল অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। তবে বাকি সকল কর্মসূচি যথারীতি আয়োজন করা হবে।’ 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এমন ঘোষণা দিলেও বিসিবির পক্ষ থেকে এখনও কোনো কিছু বলা হয়নি। তবে সোমবার বাংলাদেশ এবং জিম্বাবুয়ের মধ্যকার প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচের আগে সতর্ক ছিল বিসিবি। 

জনসমাগম কমাতে টি-টোয়েন্টি ম্যাচের জন্য জনপ্রতি একটি টিকেট বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয় বোর্ড। এই ব্যাপারে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দীন চৌধুরী বলেছিলেন, ‘প্রত্যেককে একটি করে টিকেট নিতে হবে। টিকেট কিনতে গেলে চারজনকেই নিয়ে আসতে হবে। পরিবারকে নিয়ে যদি না যেতে পারি তাহলে আমি যাবো না।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা এখানে একটি বার্তা দিতে চাই। বার্তাটা হচ্ছে তুমি একজন একটা টিকেট নিতে পারবা, বার্তাতা খুব পরিষ্কার আমরা চাচ্ছি না যে বেশি লোক আসুক। এটা শুধুমাত্র মানুষের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য।’

রবিবার দেশে তিনজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেছে। এরপরপরই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক ঘোষণায় বলেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনায় যা আছে সেভাবেই সবকিছু করা হবে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠান পরেও করা যাবে। দেশের মানুষের কাছে তথ্য গোপন করা যাবে না। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাতে হবে। আমি সবার সঙ্গে আছি।’