দেশে বিশ্বমানের একাডেমি করবেন সাকিব আল হাসান

13
Print Friendly, PDF & Email

স্পোর্টস করসপন্ডেন্ট, ঢাকা:
অভিষেকের পর থেকে গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে অন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন সাকিব আল হাসান। ব্যাটে-বলে দলে একের ভেতর দুই ভূমিকা রাখা বাংলাদেশের পোস্টারবয় নিষেধাজ্ঞার কারণে আছেন মাঠের বাইরে। মাঠের ব্যস্ততা না থাকলেও পরিবার, বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম মিলিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন সাকিব আল হাসান। ইংল্যান্ডে ‘মুসলিম চ্যারিটি’ নামক সংস্থার আয়োজনে গত ৭ মার্চ পথশিশুদের জন্য ফান্ড সংগ্রহের একটি প্রোগ্রামেও অংশ নেন।

আর সেখানেই তরুণদের উদ্দেশ্যে বলেছেন স্বপ্ন দেখতে হবে বেশ বড় করে, স্বপ্নের যেন কোন সীমা না থাকে। দেশে করতে চান বিশ্বমানের একাডেমি যেখানে ট্রেনিং নিবে বিদেশি খেলোয়াড়েরাও।

অনুষ্ঠানে সাকিব আল হাসান উপস্থিত তরুণদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘প্রথম কথাটা হচ্ছে স্বপ্নটা বড় করতে হবে। যেন স্বপ্নের কোন সীমা না থাকে। কখনোই চিন্তা করা যাবেনা যে একটা লেভেল পর্যন্ত পৌছানোর। লেভেলে কোন শেষ নেই, সুতরাং যতটা বড় সম্ভব স্বপ্নটা দেখার এবং স্বপ্নটাকে তাড়া করা জরুরী। এই দুইটা জিনিস যদি করা যায় আমার কাছে মনে হয় বেশিরভাগ সময় স্বপ্নটা ধরা দেওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।’

দেশের অন্যতম প্রতিনিধি ক্রিকেটাররা। আর সেখানে সাকিব আল হাসানকে তো রাষ্ট্র দূতও বলা যায়। বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার, বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন জাতীয় দলের জার্সিতে কিংবা ফ্র্যাঞ্জাইজিভিত্তিক টুর্নামেন্ট খেলতে গিয়ে। এক যুগের বেশি সময় মাঠের ক্রিকেটে সমানতালে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন ৩২ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার। খেলোয়াড় হিসেবে অবদান রাখার বাইরে দেশের জন্য আর কি করার সুযোগ আছে সাকিবের? অনুষ্ঠান সঞ্চালকের এমন প্রশ্নে সাকিব বলছেন করার আছে অনেক কিছু, সেজন্য চান সময়। তাঁর বিশ্বমানের একটি একাডেমি থাকবে দেখেন সেই স্বপ্নও।

সাকিব বলেন, ‘অনেক কিছু করার আছে আমদের কারণ আমাদের দেশে এখন এত বেশি সুযোগ সব দিক থেকেই ভালো অনেক কিছু করা সম্ভব আমার জায়গা থেকে আমি মনে করি। সেটার জন্য আমার সময় দরকার, আমি কিছু কিছু কাজ করছি এমন চ্যারিটি দেশে বা যেখানেই আয়োজন হয় আমি চেষ্টা করি এটার সাথে সম্পৃক্ত থাকার।’

মূল ইচ্ছে সম্পর্কে বলতে গিয়ে যোগ করেন, ‘আর মূল ইচ্ছে আমি যেহেতু একজন ক্রিকেট খেলোয়াড়, আমার মূল লক্ষ্য যদি বলি আমার একটা একাডেমি হবে, বিশ্বমানের একাডেমি। সেখানে শুধু বাংলাদেশি খেলোয়াড়ই তৈরি করবেনা অন্যান্য দেশ থেকেও খেলোয়াড় আসবে এবং ওখান থেকে ট্রেনিং করে যাবে ও বাংলাদেশের সম্পর্কে ধারণাটা বদলে যাবে।’