জেনে নিন জাতীয় পরিচয়পত্রের ১৭ অঙ্কের রহস্য

23
Print Friendly, PDF & Email

ইনফো টেক ডেস্ক রিপোর্ট:
আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রে নিশ্চয়ই রয়েছে ১৩ বা ১৭ সংখ্যার একটি নম্বর। যে নম্বরকে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

বাংলাদেশের নিয়মানুযায়ী ১৮ বছর হওয়ার পরই একজন নাগরিক ভোটাধিকার লাভ করেন। ভোটার হওয়ার পর জাতীয় পরিচয়পত্রই তার নাগরিকত্ব প্রমাণ করে। এই জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডেই থাকে আপনার সকল তথ্য। কিন্তু জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ভান্ডারে কিভাবে এ তথ্য গুলো সাজানো আছে, তা কি আমরা জানি?

চলুন জেনে নেই জাতীয় পরিচয়পত্রে কিভাবে তথ্যগুলো সাজানো আছে- 

১. জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরে রয়েছে ১৩ বা ১৭ অঙ্কের একটি সংখ্যা। পরিচয়পত্রের প্রথম ৪ অঙ্ক হচ্ছে আপনার জন্ম সাল। কিন্তু প্রথম পর্যায়ে যে ১৩ অঙ্কের পরিচয়পত্র প্রদান করা হয়েছিল তাতে জন্ম সাল যুক্ত করা হয়নি। 

২. পরের ২টি অঙ্ক অর্থাৎ ৫ ও ৬ নম্বর অঙ্ক হচ্ছে জেলা কোড। যেমন- ঢাকার জেলা কোড ২৬।

৩. পরবর্তী ১টি অঙ্ক অর্থাৎ ৭ নম্বর অঙ্ক হচ্ছে হচ্ছে আরএমও (RMO) কোড। যেমন- পল্লী এলাকা ১, পৌরসভা ২, পৌরসভার বাইরের এলাকা ৩, অন্যান্য কোড ৪, সেনানিবাস ৫, সিটি কর্পোরেশন ৯ ইত্যাদি। 

৪. পরের ২টি অঙ্ক অর্থাৎ ৮ ও ৯ নম্বর অঙ্ক হচ্ছে উপজেলা কোড। 

৫. পরবর্তী ২টি অঙ্ক অর্থাৎ ১০ ও ১১ নম্বর অঙ্ক ইউনিয়ন বা ওয়ার্ড কোড (পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের জন্য)।

৬. সর্বশেষ ৬টি অঙ্ক অর্থাৎ ১২ থেকে ১৭ নম্বর অঙ্ক হচ্ছে ব্যক্তিগত কোড নম্বর।