Back to the Future সাউন্ড এফেক্ট ও এডিটিংয়ে অস্কারজয়ী মুভি

32
Print Friendly, PDF & Email

মুভি রিভিউর ক্ষেত্রে একটা কথা থাকে, না দেখলে জীবন বৃথা। এ মুভিটা ঠিক সেই পর্যায়ের। যারা দেখেননি, এখনই দেখতে বসে যেতে পারেন। যেকোন মানুষেরই ভাল লাগবে গ্যারান্টি।

  • মুভির নামঃ ব্যাক টু দ্যা ফিউচার
  • পরিচালকঃ রবার্ট জেমেকিস
  • গল্পের লেখকঃ রবার্ট জেমেকিস, বব গালি
  • মুভির ধরণঃ অ্যাডভেঞ্চার, কমেডি, সাইন্স-ফিকশন
  • অনুবাদকঃ Symon Alex
  • মুক্তির তারিখঃ ৩ জুলাই ১৯৮৫
  • আইএমডিবি রেটিংঃ ৮.৫/১০
  • রান টাইমঃ ১১৬ মিনিট
  • ভাষাঃ ইংরেজি

ব্যাক টু দ্যা ফিউচার মুভিটি পরিচালনা করেছেন রবার্ট জেমেকিস। এত সুন্দর একটা গল্পের লেখক ছিলেন রবার্ট জেমেকিস ও বব গালি। ১৯৮৫ সালে ব্যাক টু দ্যা ফিউচার মুক্তি পায় । ইন্টারনেট মুভি ডাটাবেজে এখন পর্যন্ত ৯,৪৬,৫১০টি ভোটের মাধ্যেমে ৮.৫ রেটিং প্রাপ্ত হয়েছে মুভিটি। ১৯ মিলিয়ন বাজেটের ব্যাক টু দ্যা ফিউচার মুভিটি বক্স অফিসে ৩৮৯.১ মিলিয়ন আয় করে। 

ব্যাক টু দ্যা ফিউচার মুভি রিভিউ

এতো ভালো লাগবে ধারনাই করতে পারিনি।এক মিনিটও বোর হবার মতো মুভিনা এটা। প্রানভরে হাসতে চাইলে, উপভোগ করতে চাইলে মাস্ট ওয়াচ মুভি। আজ থেকে ৩৪ বছর আগের মুভি,কিন্তু তাক লাগিয়ে দিছে। যদিও সাইফাই ড্রামা। তবু হাসতে হাসতে পেটব্যথা হয়ে গেছে।প্রাণখুলে হাসার মতো মুভি বহুদিন দেখিনা, কপালগুনে ব্যাক টু দ্য ফিউচার দেখা হয়ে গেল। এতদিন পাগলা বিজ্ঞানীদের কথা পড়েই আসছিলাম মাসুদ রানা, তিন গোয়েন্দায়। ডাক্তার ব্রাউন চরিত্রে অসাধারণ অভিনয়ে একটা পাগলা বিজ্ঞানী দেখা হয়ে গেল। কমেডি টাইমিং বেস্ট ছিল।

পাগলা বিজ্ঞানী ডক্টর ব্রাউন টাইম ম্যাশিন আবিষ্কার করে ফেলে।তার টাইম মেশিনে করে অতীতে চলে যায় তরুন মার্টি। অতীতের সামান্য ঘটনাও ভবিষ্যতে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে পারে।তাই মার্টিকে নিজের ভবিষ্যৎ এর জন্য তার ভোঁদাই বাপ আর মা কে মেলানোর মিশনে নামতে হয়। কিন্তু ব্যাপারটা এতো সহজে মিটে যাবার নয়। একের পর এক বিপত্তির ভেতর দিয়ে মুভির গল্পএগিয়ে চলে।