ভিসা হওয়ার পরও আটকে গেলেন ১০ হাজার ওমরাযাত্রী

12
Print Friendly, PDF & Email

সিনিয়র করসপন্ডেন্ট, ঢাকা:
করোনাভাইরাসের জন্য সৌদি আরব প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকায় ভিসা হওয়ার পরেও বাংলাদেশের প্রায় ১০ হাজার যাত্রীর ওমরাহ আটকে গেছে।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে একটি হোটেলে ‘বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ প্যাকেজ-২০২০’ ঘোষণার সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নের জবাবে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম এ কথা বলেন।

আজ ২৭ ফেব্রুয়ারি সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এক নোটিশে পৃথিবীর সব দেশের ওমরাহ ভিসা ইস্যু ও ভিজিট ভিসা স্থগিত করা হয়েছে। একইসাথে ওমরাহ যাত্রীদের সৌদি আরবে প্রবেশ নিষিদ্ধ করার কথাও বলা হয়েছে। হাব সভাপতি শাহাদাত হোসাইন তসলিম বলেন, এবিষয়ে বৃহস্পতিবার সকালে সৌদি দূতবাসের সঙ্গে কথা বলেছি। যাদের ভিসা আছে তারা যেতে পারবেন কিনা বিষয়টি অস্পষ্ট। আজকে সকালে বিমানবন্দরে আমাদের যে যাত্রীরা গেছেন সকলেই অপেক্ষামান আছেন, কাউকেই বোর্ডিং পাস দেয়া হচ্ছে না।

তিনি বলেন, এবিষয়ে সৌদি এয়ারলাইন্সের এয়ারপোর্ট ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি বলেছেন আমরা পরবর্তী ফ্লাইটের যাত্রীদের দাঁড় করিয়ে রেখেছি। সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটা মেইলের অপেক্ষায় আছি। এটা না আসা পর্যন্ত ওনারা কাউকে যেতে দেবেন না।

তসলিম বলেন, আপাতত মনে হচ্ছে, ভিসা তো নতুন করে ইস্যু হবেই না। আর যাদের ভিসা করা আছে, তারাও যেতে পারবে না, বলেই মনে হচ্ছে। তারা যেতে পারবেন না।

তিনি বলেন, এটা যদি হয়, আমাদের কাছে একটা হিসাব আছে। এখন প্রায় ১০ হাজার ওমরাহ ভিসা করা আছে। এই ১০ হাজার ভিসার বিপরীতের প্রায় ৫ হাজার টিকিট কাটা আছে। ৫ হাজার টিকিটের মধ্যে ২ হাজার টিকেট লো-কস্ট এয়ারলাইন্সের, যেগুলো নন-রিফান্ডেবল। সেখানে ৯ কোটি টাকার মতো টিকেট কাটা আছে।